চরমধুয়া গ্রীণ এগ্রো ফার্মে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে প্রস্তুত করা হচ্ছে কোরবানির ৫০টি গরু

নরসিংদীর রায়পুরার চরাঞ্চলের চরমধুয়া গ্রীণ এগ্রো ফার্মে সর্ম্পূণ প্রাকৃতিকভাবে স্বাস্থ্যসম্মত ৫০টি গরু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

এ খামারে কোন ধরনের রাসায়নিক ও মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর ঔষুধ প্রয়োগ ছাড়াই

সর্ম্পূণ দেশীয় পদ্ধতিতে দেশীয় খাবারের মাধ্যমে গরু লালন পালন করে গ্রীণ এগ্রো ফার্মের সুনাম খ্যাতি অর্জন করে র্দীঘদিনের ঐহিত্য ধরে রেখেছেন।

আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে নরসিংদীর খামারীরা সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে স্বাস্থ্যসম্মত গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া লালন-পালন করছেন।

এখন শেষ মূহূর্তের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন এখানকার খামারীরা।

খামারগুলোতে মানুষের চাহিদা অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে ৫ লক্ষ টাকা মূল্যের গরু প্রস্তুত করা হয়েছে।

তবে বিদেশী গরু আমদানি না হলে এ বছর পশু বিক্রি করে লাভবান হওয়ার আশা করছেন খামার মালিকরা।

জেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী,

দেশের বিভিন্ন হাট থেকে গরু কিনে ৬ মাস ও ১ বছর আগে থেকে গবাদি পশু লালন পালন শুরু করেন নরসিংদীর খামারীরা।

এ জেলার খামার গুলোতে ছয়টি উপজেলায় সাড়ে ৫ হাজার খামারী দেশীয় খাবার খাইয়ে ছোট-বড় প্রায় ২৫ হাজারের বেশি পশু মোটাতাজা করা হয়েছে।

দেশীয় পদ্ধতিতে মোটাতাজাকরণ করায় এই অঞ্চলের গরু ও মহিষরে চাহিদাও অনেক বেশি।

এসব ফার্ম ও মহিষ আশেপাশের জেলা সহ বিভিন্ন হাটগুলোতে সরবরাহ করবেন বলে জানিয়েছেন খামারীরা।

সরজেমনি ঘুরে জানা গেছে,

অসাধু গরু ব্যবসায়িরা কৃত্রিম উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণ করলেও দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ করছেন নরসিংদী জেলার খামারিরা।

প্রতি বছরই ঈদ এলে গরু বিক্রি করে বাড়তি আয় করেন এই জেলার খামারীরা।

ছোট বড় খামাররে পাশাপাশি প্রতিটি খামারি ঈদকে সামনে রেখে গরু মোটাতাজা করে থাকেন।

নিষিদ্ধ ঘোষিত ক্ষতকির ইনজকেশন ও ট্যাবলটে পরিহার করে ঘাস খড়ের পাশাপাশি খৈল, গুড়া, ভূষি খাদ্য হিসেবে খাওয়ানোর মাধ্যমে মোটাতাজা করা হয়েছে এসব গরু।

বাজারে দেশীয় স্বাস্থ্যসম্মত গরুর ব্যাপক চাহিদা থাকায় এই ঈদে লাভজনক হবেন বলে আশাবাদী।

রায়পুরার চরাঞ্চলের চরমধুয়া গ্রামরে গ্রীণ এগ্রো র্ফামস এর মালিক মুজিবুর রহমান সিকদার বলেন,

কোন ধরনের রাসায়নিক ও মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর ঔষুধ প্রয়োগ ছাড়াই সর্ম্পূণ দেশীয় পদ্ধতিতে দেশীয় খাবারের মাধ্যমে গরু লালন পালন করা হচ্ছে।

আমার খামারে ৫০টি গরু কোরবানরি জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

প্রত্যেকটি গরু সর্ম্পূণ দেশীয় পদ্ধতিতে দেশীয় খাবার খাইয়ে মোটাতাজা করা হয়েছে।

প্রত্যেকটি গরুকে কাঁচা ঘাস,খড়,তিলের খৈল,ছোলার খলৈ, মসুুরী ডালের খৈল, মটরসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ানো হয়েছে।

সর্ম্পূণ প্রাকৃতিকভাবে স্বাস্থ্যসম্মত এসব গরু মোটাতাজা করা হয়েছে।

দেশীয় গরুর চাহিদা থাকায় এরমধ্যে প্রতিদিন খামার পরর্দিশনে আসছেন ক্রেতারা।

বশির আহম্মেদ মোল্লা, নরসিংদী

এনএএন টিভি

Share this news as a Photo Card