তালা ভেঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী আব্দুল ড. মঈন খানের ইফতার মাহফিলে যোগদান করেন।
ইফতার অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে মঞ্চে উঠা নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় হাতাহাতি হতে দেখা গেছে।
এ সময় স্থানীয় সাংবাদিকরা ফুটেজ নিতে গেলে বিএনপি নেতাকর্মীরা বাধা প্রদান করেন। একপর্যায়ে নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়তে হয় সাংবাদিকদের।
গত মঙ্গলবার নরসিংদী পলাশ উপজেলার পাঁচদোনায় ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে লালমিয়া কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে এসব ঘটনা ঘটে।
বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে পাঁচদোনা ইউনিয়ন বিএনপি। ওই সময় বিএনপির নেতাকর্মীসহ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী আব্দুল ড.আব্দুল মঈন খান সেখানে গেলে কমিউনিটি সেন্টারের বাহিরে তালাবদ্ধ অবস্থা দেখতে পান।
পরে উত্তেজিত বিএনপির নেতাকর্মীরা কমিউনিটি সেন্টারের তালা ভেঙ্গে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল ড. মঈন খানকে নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন।
বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ইফতার মাহফিল পণ্ড করতে কৌশলেপুলিশ কমিউনিটি সেন্টারের বাইরে তালা লাগিয়ে দেন।
পাঁচদোনা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ইউসুফ আহাম্মেদ বলেন,
পুলিশ বিএনপির ইফতার মাহফিলে বাধা দেবে কেন। সেখানে তো পুলিশ যায়নি।
তারা নিজেরাই তালা লাগিয়ে পুলিশের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।
প্রধান অতিথি সাবেক মন্ত্রী জননেতা ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশের সরকার ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী নয়।
তারা যদি সত্যিকার অর্থে ইসলামে বিশ্বাসী হতো, তাহলে এ দেশের প্রতিটি মানুষকে যার যার ধর্ম পালনে সুযোগ দিত।
পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের দিয়ে বিএনপির ইফতার মাহফিলের কমিউনিটি সেন্টারে তালা দিয়ে দিতো না।
তিনি আরও বলেন, মসুলমান,সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ বাংলাদেশে সরকার ইফতার আয়োজন করতে দেয় না। সরকার ধর্ম পালনে বাধা দিয়ে কিছুই করতে পারবে না।
ইফতার মাহফিলে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-
পলাশ থানা বিএনপির সভাপতি মো. এরফান আলী, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর সাইফুল হক, ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুর সাত্তার,
সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, নরসিংদী শহর বিএনপির সাবেক সভাপতি বাবুল সরকার,
জেলা যুবদলের ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহেন শা শানু সহ স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দরা।
বশির আহমদ মোল্লা,নরসিংদী প্রতিনিধি

Comments are closed.