চাঁদপুরে নতুন হাইব্রিড ও নতুন জাতের ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে খুশি কৃষকেরা। তবে উৎপাদিত ধানের ন্যায্য দাম নিয়ে শঙ্কায় তারা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দিগন্তজুড়ে সোনালী ফসলে ভরপুর। সোনালী রঙ প্রকৃতিতে নতুনমাত্রা যোগ করেছে।
চলতি মৌসুমে সেখানে ব্রি ধান ৮৮ থেকে ৯৬, বঙ্গবন্ধু ১০০ এবং বিনা-২৫ জাতের ধান আবাদ করা হয়েছে। ফলে ফলনও হয়েছে ব্যাপক।
এখন জমির পাকা ধান কাটায় কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে উৎপাদিত ধানের ন্যায্য দাম নিয়ে শঙ্কায় তারা।
এক কৃষক বলেন, ‘আমাদের ভালো ফলন হয়েছে।
আমরা অনেক খুশি। সরকার প্রতি মণ ধানের দাম নির্ধারণ করেছে ১ হাজার ২০০ টাকা। কিন্তু আমরা ধান বিক্রি করছি ৮০০ টাকা থেকে ৯০০ টাকায়।
ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করে আরেক কৃষক বলেন, ‘সার-কিটনাশকসহ সব ধরনের পণ্যের দাম বেশি।
আমরা আমাদের উৎপাদন ব্যয় মোতাবেক ধানের দাম পাচ্ছি না।
এদিকে দেশকে কৃষিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে সরকারি প্রণোদনা এবং
আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
চাঁদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক ড. শাফায়েত আহম্মদ সিদ্দিকী বলেন,
‘আমরা যাতে অধিক ফলনশীল জাতগুলো কৃষকের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারি এবং
কৃষকের ধান উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায় সে বিষয়ে কাজ করছি।
কৃষকরা যাতে অল্প পরিশ্রমে অধিক ফসল ফলাতে পারেন সে জন্য কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি পালন ও
কৃষি যান্ত্রিকীকরণ কর্মসূচি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান।
উল্লেখ্য, গতবছর চাঁদপুরে ৬২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ করা হয়েছিল।
তবে এবার সেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৬৩ হাজার ১৮৫ হাজার হেক্টর জমিতে ধানের উৎপাদন হয়েছে।
আরও পড়ুন :

Comments are closed.