ভোররাতের বৃষ্টিতে দাম বেড়েছে ফেনীতে মাছের সরবরাহ কমায়

ভোররাতের বৃষ্টিতে ফেনীর পৌর মৎস্য আড়তে কমেছে দেশি মাছের সরবরাহ। এতে বেড়েছে দাম।

ফেনী বাজারের পৌর মৎস্য আড়ত। কাকডাকা ভোর থেকেই জমজমাট ফেনী বাজারের এই মৎস্য আড়ত।

প্রতিদিন টনকে টন মাছ নিয়ে আড়তে আসেন ব্যবসায়ী ও খামারিরা।

তবে শনিবার (২৪ জুন) ভোররাতের বৃষ্টির কারণে ফেনীর উপকূলীয় উপজেলা সোনাগাজীর মৎস্য খামারগুলো থেকে পর্যাপ্ত মাছ উত্তোলন করা যায়নি।

ফলে আড়তে কমেছে দেশি মাছের সরবরাহ। এতে দাম অনেকটাই চড়া।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে প্রতি কেজি গলদা চিংড়ি ৮৫০ থেকে ১ হাজার টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা,

রুই ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা, শিং মাছ ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, বৃষ্টির কারণে আড়তে মাছ কম এসেছে। এ জন্য মাছের দাম বাড়তি। তবে সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে।

এদিকে সামুদ্রিক মাছের জোগান থাকায় দাম কিছুটা কম বলে দাবি আড়তদারদের।

কিন্তু ক্রেতাদের অভিযোগ, দাম বেড়েছে সামুদ্রিক মাছেরও।

ক্রেতারা বলেন, সব ধরনের সামুদ্রিক মাছের দাম বেড়েছে।

সুরমা মাছ একদিন আগে ৮০ টাকায় বিক্রি হলেও আজকে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া লইট্যা মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়।

আর দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এ আড়তে আসা মাছের গুণগত মান ঠিক রাখতে কমিটির কঠোর নজরদারি রয়েছে

বলে জানিয়েছেন ফেনী পৌর মৎস্য আড়ত ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য মীর হোসেন বাবুল।

তিনি বলেন, ফেনী পৌর আড়তে মাছের মান খুবই ভালো। এ হাটে কোনো ভেজাল মাছ বিক্রি হয় না।

বাজার কমিটির মাধ্যমে এসব নিয়মিত তদারকি করা হয়।

জেলার সবচেয়ে বড় ফেনীর এই মৎস্য আড়তে দোকান সংখ্যা রয়েছে ৪০টির ওপরে।

আর এখানে প্রতিদিন কমপক্ষে ২ কোটি টাকার মাছ বিক্রি হয় বলে জানিয়েছেন আড়তদাররা।

আরও পড়ুন :

এনএএন টিভি