সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে অস্থির নিত্যপণ্যের বাজার।
এবার খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজার পরিদর্শনে গিয়ে ক্রয়-বিক্রয়ে অসঙ্গতি পেলেন প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান।
এসময় চিনি ও ভোজ্যতেলের বাজারে অস্থিরতার জন্য মিল মালিকদের ওপর দায় চাপান ব্যবসায়ীরা।
পর্যাপ্ত আমদানি ও সরবরাহ থাকার পরও লাগামহীনভাবে বেড়ে চলা ভোগ্যপণ্যের বাজার অস্থিতিশীল করার পেছনে বিভিন্ন সময় নানাভাবে উঠে আসে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের কারসাজির কথা।
এবার এসব অভিযোগের তথ্য সংগ্রহে শনিবার (২৪ জুন) দেশের সবচে বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে পরিদর্শন যান প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান।
এসময় চিনি ও ভোজ্যতেলের ডিও এবং পাইকারি ব্যবসায়ীরা মিল মালিকদের কাছ থেকে পণ্য কেনাবেচার রশিদ দেখাতে পারেননি।
এমনকি মিল মালিকরা সরকারনির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে ব্যবসায়ীদের কাছে পণ্য বিক্রি করছেন- এমন তথ্যও পায় কমিশন।
আবার পাইকারি পর্যায়ে পেঁয়াজ-রসুনের মতো কাঁচা পণ্যের দাম নির্দিষ্ট করা নিয়েও ব্যবসায়ীদের কাছে সন্তোষজনক কোনো জবাব পাননি কমিশন সদস্যরা।
বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রদীপ রঞ্জন বলেন, অভিযানে কিছু বাজারে পণ্যের দাম প্রভাবিত করার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এগুলো অনুসন্ধানের মধ্যে রাখা হয়েছে।
আর বাজার পরিদর্শন শেষে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে প্রতিযোগিতা কমিশন।
এসময় আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধিসহ দেশের বাজারে ভোগ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ মিল মালিকদের ওপর নির্ভর করে বলে জানান খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা।
তারা বলেন, মিল থেকে দাম বাড়িয়ে বিক্রয় করা হয় বিধায়, বাজারেও দাম বাড়ে।
এছাড়া মিল থেকে অনেক পণ্যের রশিদ না দেয়ায় ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েন।
চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ছগীর আহমেদ বলেন,
আমদানিকৃত পণ্য বিক্রি করে ব্যাংকের টাকা পরিশোধে ব্যস্ত থাকেন ব্যবসায়ীরা। এখানে সিন্ডিকেটের কোনো সুযোগ নেই।
আর সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, দেশের বাজারে দিনদিন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে চলা ভোগ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা অধিকার অধিদফতর,
জেলা প্রশাসনের বাজার মনিটরিংসহ সরকারি বিভিন্ন সংস্থা কাজ করলেও কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছেনা নিত্যপণ্যের বাজার।
আরও পড়ুন :
