কয়লা সংকটে চারদিন ধরে বন্ধ পায়রা তাপবিদুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট।
এখন যে পরিমাণ কয়লা মজুত আছে তা দিয়ে দ্বিতীয় ইউনিট চলতে পারবে ৩ জুন পর্যন্ত।
তবে জুনের শেষে কয়লা এলে আবার বিদুৎকেন্দ্রটি পুরোপুরি চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
পটুয়াখালীর পায়রা তাপবিদুৎ কেন্দ্র কয়লা সংকটে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের একটি ২৫ মে বন্ধ হয়ে যায়।
৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বাকি আরেকটি ইউনিট চলবে ৩ জুন পর্যন্ত।
কয়লা না থাকায় সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ হতে চলেছে দেশের বৃহত্তম এ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি।
তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও বংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার ১০০ মিলিয়ন ডলারের সংস্থানের ব্যবস্থা করছে।
এতে নতুন করে কয়লা সরবরাহ করতে পারবেন তারা। দুই এক দিনের মধ্যেই এলসি খোলা হবে।
কয়লা আমদানির পর জুনের শেষ সপ্তাহে আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আশা করছেন কর্মকর্তারা।
পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহ আব্দুল হাসিব বলেন, এটি একটি সাময়িক সংকট।
জুনের ২৫ তারিখে কয়লার জাহাজ আসবে। এরপর আবারও চালু হবে বিদ্যুৎকেন্দ্র।
আর পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকলেও, অন্যান্য কেন্দ্রে উৎপাদন স্বাভাবিক থাকায় লোডশেডিং হবে না বলে জানান পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এম খোরশেদুল আলম।
তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কাছে যথেষ্ট জেনারেশন করার মতো পাওয়ার স্টেশন রিজার্ভ আছে।
সেখান থেকে এই বিদ্যুৎটুকু অন্য পাওয়ার স্টেশনের মাধ্যমে উৎপাদন করে তারা চেষ্টা করবে লোডশেডিং যাতে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা যায়।
চীন ও বাংলাদেশের যৌথ বিনিয়োগে ২০২০ সালে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়।
তিন বছর আগে উৎপাদনে আসার পর এবারই প্রথম পুরোপুরি বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হচ্ছে পায়রা বিদুৎ কেন্দ্রে।
এর আগে ডলার সংকটে কয়লা না কিনতে পারায় রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রও দুই দফা বন্ধ হয়েছিল।
আরও পড়ুন :

Comments are closed.