মানুষের স্বপ্ন পূরণের ইচ্ছাটাও নষ্ট করে দিতে পারে এ বায়োপিক এমনটা মনে করেন মিঠুন।
কারণ হিসেবে এ অভিনেতা জানান, সব সময়েই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তার জীবন কেটেছে। গায়ের রং কালো বলে সব জায়গা থেকেই হয়েছেন প্রত্যাক্ষিত।
মিঠুনের ভাষায়, খালি পেটে শুয়ে থাকতে হয়েছে, ঘুমোনোর জন্য কেঁদেছি। সেই কারণেই চাই না, আমার বায়োপিক হোক।
মুম্বাইয়ে প্রতিষ্ঠাকামী এ অভিনেতা খুব সহজে নিজের এই হীনম্মন্যতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।
তবে তার মা বাবা আর সহকর্মীদের পরিবার এ সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, গায়ের রঙের সঙ্গে নিজের খারাপ চেহারা নিয়েও সব সময় নিচু হয়ে থাকতেন মিঠুন।
মিঠুনের দাঁতও সুন্দর ছিল না। যে কারণে এ অভিনেতা যখন হাসতেন তখন তার দাঁতগুলো সামনে বের হয়ে যেত। এ সমস্যা থেকে বাঁচতে কখনও মুখ খুলে হাসেননি মিঠুন।
মুখ বন্ধ করে হেসে লুকিয়ে রাখা কষ্ট চাপানো সে মিঠুনই আজ সুপারস্টার। জয় করেছেন কোটি কোটি ভক্তের মন।
জীবনে সাফল্য পাওয়ার পরও নিজের এই বিষাদের তিক্ত সময়টাকে বায়োপিক হিসেবে সেলুলয়েডের ফ্রেমে দেখে আবার সেই সব স্মৃতিতে ফিরতে চান না ডিসকো ড্যান্সার খ্যাত বাঙালি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী।
আরও পড়ুন:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিজস্ব কোম্পানি বানিয়েছেন ইলন মাস্ক
- ঢাকায় ৫৮ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড
- গরমকালে মেকআপ করার সময় কিছু সতর্ক টিপস
- শেরপুর জেলা জজকে প্রত্যাহার
- মিথিলার ‘প্রেমে পড়া বারণ’
- ঈদযাত্রা আরামদায়ক করতে ৯ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালু
এন এ এন টিভি

Comments are closed.