গাজার বিষয়ে আর কতক্ষণ কান বন্ধ রাখবে বিশ্ব?

সকল প্রতিকূলতা অতিক্রম করে গাজার উপকূলের দিকে এগুচ্ছে, সেখানে চলে যাচ্ছে সামান্য হেলথ কিট, শুকনো খাবার ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আলোকচিত্র ও প্রত্যক্ষতার মাঝ দিয়ে বিশ্বের দৃষ্টি ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্য।

২০১ জনেরও বেশি আটক এবং তারা ৩৭টি দেশের নাগরিক বলে দাবি করেছেন, স্পেন, ইতালি, তুরস্ক ও মালয়েশিয়া।

*কী ঘটল এবং কারা আটক হলো

ফ্লোটিলার প্রতিনিধিরা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান, নৌকাগুলোকে ইসরায়েলি নৌবাহিনী আটক করেছে, তাদের উদ্ধৃতিতে বলা হয়েছে ৩৭টি দেশের ২০১ জনেরও বেশি মানুষ আটক হয়েছেন, এতে স্পেনের ৩০, ইতালির ২২, তুরস্কের ২১ ও মালয়েশিয়ার ১২ জন। একইসঙ্গে বেশ কিছু উচ্চপ্রতিষ্ঠিত এ্যাক্টিভিস্ট এবং রাজনীতিবিদ ও অনেকে ছিলেন সাংবাদিক ও স্বাস্থ্যকর্মী, আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিশীল গ্রেটা থানবার্গকেও আটক করা হয়েছে বলে বিভিন্ন বার্তায় দাবি করা হয়েছে।

অপরদিকে আয়োজকরা দাবি করেন, তাদের ওপর জোরপূর্বক জবরদস্তি চালানো হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক জলরেখায় করে এই আটকাটি অনৈতিক ও আইন বিরুদ্ধ। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরাও মূলত এটিই নিয়ে তর্ক করছেন যে আন্তর্জাতিক জলে নৌযান গুলো আটক করার আইনগত অধিকার ইসরায়লের কী পরিমাণ ছিল, তা এখন প্রশ্নবিদ্ধ।

*আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও চাপ বাড়ছে
‘আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’ বলে উল্লেখ করেছে এবং অনেক শহরে প্রতিবাদ-সমাবেশও শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গাজার পরিস্থিতি নিয়ে সাম্প্রতিক কালের বিভিন্ন কূটনৈতিক কূটচেষ্টা ও দেশগুলোর পাল্টাপাল্টি সিদ্ধান্তও এই প্রেক্ষাপটকে জটিল করেছে কিছু পশ্চিমা দেশও সম্প্রতি ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আরও স্বীকৃতি দিয়েছে, যা ইসরায়েল সমর্থক মহলে চাপ তৈরি করছে।

ইসরায়ালের পক্ষ যুক্তি দেয় যে, সামুদ্রিক অবরোধটি নিরাপত্তার জন্য জরুরি। তারা বলছে, উদ্দেশ্য হলো হামাসকে অস্ত্র সরবরাহ রোধ করা এবং ফ্লোটিলাকে তারা ‘পিআর স্টান্ট’ বা হামাস-সহযোগী ইত্যাদি আখ্যা দিচ্ছে।

 

এনএএন টিভি

Share this news as a Photo Card