ভারতের হিমাচলে ভারী বৃর্ষণে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৭৪ জনে দাঁড়িয়েছে।
গত ২৪ জুন বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকে হিমাচল প্রদেশে বৃষ্টি-সম্পর্কিত ঘটনায় অন্তত ২১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সবশেষ উদ্ধারকর্মীরা সিমলায় শিব মন্দির থেকে একজনের মরদেহ পেয়েছে।
অন্যদিকে চাম্বায় আরও দুজনের প্রাণহানি ঘটেছে।
সিমলায় তিনটি বড় ভূমিধসে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে একটি সামার হিলের শিব মন্দিরের ভূমিধস।
বর্ষা শুরু হওয়ার পর ৫৫ দিনে রাজ্যে ১১৩টি ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে।
এতে গণপূর্ত বিভাগের দুই হাজার ৪৯১ কোটি রুপির ক্ষতি হয়েছে।
আর ভারতের জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষের ক্ষতির পরিমাণ হাজার কোটি টাকা।
সিমলার সামার হিলে রেললাইনের একটি অংশ ভেসে গেছে, ট্র্যাকগুলো বাতাসে ঝুলছে।
হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু বলেন, সাম্প্রতিক ভূমিধসের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনঃনির্মাণ পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবেশগতভাবে ভঙ্গুর হিমালয়ে অবৈজ্ঞানিকভাবে স্থাপনা নির্মাণ,
বনভূমি হ্রাস এবং জলপ্রবাহকে বাধা দেওয়ার মতো কাঠামোর কারণে ঘন ঘন ভূমিধস হয়।
ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) সিমলা, সোলান, মান্ডি,
চাম্বাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিচ্ছিন্ন জায়গায় ভারী বৃষ্টিপাতের সঙ্গে কয়েকটি স্থানে বজ্রসহ মাঝারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে।
গত রবিবার থেকে শুরু করে টানা তিন দিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে রাজ্যে।
মঙ্গলবারের পর বৃষ্টি কমেছে এবং বৃহস্পতিবার কিছু জায়গায় হালকা বৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র : ইন্ডিয়া টাইমস
আরও পড়ুন :

Comments are closed.