বর্ষাকালে যেসব খাবারে স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে!

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ঋতু বর্ষাকালে কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা অতিরিক্ত পরিমাণে দেখা দেয়। এ কারণে এই ঋতুতে স্বাস্থ্য সতর্কতা বাড়তি মনোযোগ দাবি করে।

এই সময় খাদ্যাভ্যাসের ক্ষেত্রেও সতর্কতা জরুরি। চলুন জেনে নেয়া যাক সেগুলো:-

মাছ এবং সামুদ্রিক খাবার

বর্ষা মাছের প্রজনন মৌসুম। তাই এই সময়ে ডিমওয়ালা মাছের বিক্রি অনুৎসাহিত করতে মাছ খাওয়া যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো।

ভাজাপোড়া

বর্ষায় বেশি ভাজাভুজি খাবার না খাওয়াই ভাল। কারণ, আর্দ্র আবহাওয়ায় আমাদের হজম ক্ষমতা কমে যায়।

তাই এই সময়ে ভাজাপোড়া খাবার যেমন- সমুচা, জিলাপি, পুরি এবং অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন।

মাশরুম

বর্ষাকালে এই খাবার কম খাওয়াই ভাল। কারণ এসময় মাশরুমে ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বেড়ে যায়।

ফলে বর্ষায় মাশরুম খেলে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। অ্যালার্জির সমস্যা থাকলেও বর্ষাকালে মাশরুম এড়িয়ে চলা ভালো।

মাশরুম খেতে যদি খুব ইচ্ছা করে, তবে রাঁধার আগে ভালো করে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। পারলে গরম পানিতে ফুটিয়ে নিন।

শাক

কোনো পুষ্টিবিশেষজ্ঞ শাকসবজি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেবেন? আশ্চর্যজনক মনে হলেও, এটা সত্য। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে,

বর্ষায় পরিবেশগত কারণে সবুজপাতাবিশিষ্ট শাকসবজিতে পোকামাকড় ও জীবাণু বেশি আশ্রয় নেয়, তাই এই সময় শাকজাতীয় সবজি এড়িয়ে চলাই ভালো।

আর যদি খেতেই হয় তাহলে ভালোভাবে ভাঁপ দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। তাহলে জীবাণু মরে যাবে। তরকারি লবণপানিতে ভিজিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিন।

বিশেষত পাতাসমৃদ্ধ তরকারি পানিতে যত্নসহকারে ধুয়ে নিতে হবে। কেননা এসবে অনেক জীবাণু, ময়লা থেকে যায়। তাই রান্নার আগে এগুলো ধুয়ে ও ফুটিয়ে নিতে হবে।

রাস্তার খাবার

রাস্তার খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। রাস্তায় কাটা ফল বা নানা রকমের খাবার পাওয়া যায়। এসব খাবেন না। এসব খাবার খোলা বাতাসে থাকে, আর তাই স্বাস্থ্যসম্মত নয়।

কাঁচা খাবার

বর্ষার সময় কাঁচা খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে। এই মৌসুমে মেটাবলিজম বেশ ধীরে কাজ করে। যার ফলে খাবার দেরি করে হজম হয়।

যদি তাজা খাবার খাওয়ার ডায়েট অনুসরণ করেন থাকেন তাহলে সিদ্ধ করে খাওয়া ভালো।

কোল্ড ড্রিংক

বর্ষার সময় কোল্ড ড্রিংক এড়িয়ে চলুন। এই কোল্ড ড্রিংক আমাদের শরীরে খনিজের পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

ফলে এনজাইমগুলো ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। এতে মারাত্মক হজমের সমস্যা তৈরি হতে পারে।

এনএএন টিভি