টকটকে লাল আপেল স্বাদে গন্ধে অতুলনীয়। দামও বেশি। অপরদিকে, তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যায় পেয়ারা । সেটিও খেতে দারুণ মজার। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই দুটির মধ্যে কোনটি বেশি উপকারী? আজ চলুন এই প্রশ্নের উত্তর জেনে নেওয়া যাক-
আপেল
‘অনেকেই পথ্য হিসেবে আপেলের কথা বলে থাকেন। প্রচলিত রয়েছে, দিনে একটি করে আপেল খেলে তা চিকিৎসককে দূরে রাখে। এ কথার মানে হলো, আপেলের এমনই গুণ যে, নিয়মিত খেলে তা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তাই চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।
পেয়ারা
পেয়ারার কথায়। এটি বেশ মজাদার। তবে পুষ্টিগুণের হিসেবে, পেয়ারাকে সেভাবে কেউ পাত্তা দেন না। অতি সাধারণ এই ফলটির গুণও নেহাত কম নয়।
আপেলের গুণ
আপেলের গুণের শেষ নেই-এমনটাই মনে করেন পুষ্টিবিদরা। আপেলে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, কপারের মতো ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান। এই ফলটি ফাইবার ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টও ভরপুর।
নিয়মিত আপেল খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এটি হার্টের রোগ থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস— সবই প্রতিরোধ করতে সাহায্য করতে পারে।
সপ্তাহে ৩-৪ দিন আপেল খেলে দীর্ঘ মেয়াদে অনেক উপকার পাবেন।
পেয়ারার গুণ
পেয়ারাতে যে উপাদানটি সবচেয়ে বেশি আছে তা হলো ভিটামিন সি।
সর্দি-কাশির ধাত থাকলে, নিয়মিত পেয়ারা খেলে উপকার পাবেন। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
তাছাড়া পেয়ারাতে আছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ উপাদান।
পেয়ারাতে রয়েছে বিপুল পরিমাণে ফাইবার। তাই যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, তারা পেয়ারা খেলে উপকার পাবেন।
ডায়াবেটিসের মতো রোগ থাকলেও পেয়ারা খেতে পারেন। কারণ পেয়ারায় কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম।
সবকিছু মিলিয়ে বলা যায় দামে কম হলেও গুণে পেয়ারা কোনো অংশে আপেলের চেয়ে কম নয়। রবং এর উপকারিতা বেশি।
তাই খাবার পাতে আপেলের পাশাপাশি রাখতে পারেন পেয়ারাও।

Comments are closed.