রোজায় ত্বকের যত্নে পানির বিকল্প নেই

রোজায় ত্বকের যত্ন নিতে ত্বককে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচাতে এবং স্কিন-এর ইলাস্টিসিটি ধরে রাখতে পানির বিকল্প নেই।

ইফতার এবং সেহরির মাঝে অন্তত ৮ গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। শুধু পানি খেতে ভালো না লাগলে ফলের রস খেতে পারেন।

এতে যেমন ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচা যাবে তেমনি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর কাজটিও হবে।

তবে কখনো অতিরিক্ত চিনিযুক্ত বা ফ্লেভারড ড্রিংক খেতে যাবেন না।

কারণ, চিনি জাতীয় খাবার কোলাজেন নষ্ট করে ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ ফেলতে পারে।

চা-কফি এবং সোডা জাতীয় পানীয় এসময় যথা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। কারণ, ক্যাফেইনেটেড বেভারেজ ত্বকে পানিশূন্যতা তৈরি করে।

এক গ্লাস তাজা ফলের রস যেখানে দেহে শতকরা ৬০ ভাগ পর্যন্ত শোষণ হয় সেখানে সোডা ওয়াটার শোষন হয় শতকরা ২০ ভাগ মাত্র।

ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখার জন্য এবং অকাল বার্ধক্যজনিত ছাপ বা এক্সট্রিনসিক এইজিং থেকে বাচার জন্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবারের বিকল্প নেই।

অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবারের পরিবর্তে বাদাম, গাঢ় সবুজ শাক-সবজি,

আনার এমনকি চকোলেট ভক্তরা ডার্ক চকোলেটের মাধ্যমেও এই উপাদানের অভাব পূরণ করতে পারেন।

রোজায় ত্বকের যত্ন নেয়ার কথা মাথায় রেখে ইফতারের পর এক কাপ গ্রীন টি হতে পারে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট-এর উৎকৃষ্ট উৎস।

আরও পড়ুন: 

এনএএন টিভি