ঢাকার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মেহাম্মদ নাসির উদ্দিন। শনিবার (২৬ জুলাই) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
তিনি জানান, একই সঙ্গে এ ঘটনায় দগ্ধ রাফসি (১২) ও আয়ান খান (১২) নামের দুই শিক্ষার্থী ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় তাদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
শনিবার বিকাল ৩টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক মো. নাসির উদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় আজ বিকালে দুই শিক্ষার্থী—আয়ান খান (১২) এবং রাফসিকে (১২) হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আমরা আগেই জানিয়েছিলাম— আজ থেকে পর্যায়ক্রমে ছাড়পত্র দেওয়া শুরু করব। তারই অংশ হিসেবে আজ দুইজনকে ছেড়ে দেওয়া হলো। আশা করছি, আগামী সপ্তাহের মধ্যে আরও অন্তত ১০ জনকে ছাড়পত্র দিতে পারব।’
তবে দুঃখজনকভাবে, শনিবার সকালে এক ঘণ্টার ব্যবধানে আরও দুইজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন—মাসুমা বেগম (৩৬) এবং জারিফ ফারহান (১৩)।
নাসির উদ্দিন আরও বলেন, ‘উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ইনস্টিটিউটে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী আগেভাগেই সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসায় কোনো ঘাটতি না থাকে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের চিকিৎসক দল রোগীদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখছেন। যেসব ওষুধ চিকিৎসার জন্য অপরিহার্য, সেগুলো আমরা মজুত করে রেখেছি। কোনো রোগীর চিকিৎসায় যেন বিলম্ব না হয়, সে বিষয়টি আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।’
