পরিকল্পনা কমিশনের অতিরিক্ত সচিব মো. ছায়েদুজ্জামান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন,
‘আমরা পর্যালোচনা করে দেখেছি, প্রকল্পের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। সাড়ে চার বছরে অগ্রগতি মাত্র ২৬ শতাংশ।
কিল্লা বানানোর জন্য অনেক জায়গায় এখনো জমি ঠিক করা যায়নি।
সে কারণে ১০০টি কিল্লা কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। কোন প্রক্রিয়ায় কিল্লা হস্তান্তর করা হবে, তা এখনো ঠিক হয়নি। ফলে যেসব কিল্লার কাজ শেষ, সেগুলো পড়ে আছে।
তাছাড়া, শুরুতে নকশা নিয়ে জটিলতা ছিলো। পরে তা সংশোধন করা হয়। এ কারণেও প্রকল্পের কাজে গতি কমে গেছে।’
অবশ্য ১০০টি কিল্লা কমানোর সিদ্ধান্তে খুশি নয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের যুক্তি, সর্বোচ্চ ৫০টি কিল্লা কমানো যেত।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন,
কিল্লা বানানোর জন্য জেলা প্রশাসকেরা যেসব স্থান বাছাই করেছিলেন, সেখানে গিয়ে দেখা যায়, তা ব্যবহারের অনুপযোগী।
আবার কোথাও কোথাও জমি অধিগ্রহণ করতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে খাসজমির চেয়ে ব্যক্তিগত জমি বেশি। কোথাও আবার নিচু জমি দেখা যায়।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৫ ডিসেম্বর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ‘মুজিব কিল্লা’ প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছিল।

Comments are closed.