ছাত্রলীগ নেতাকে চাঁদা না দেওয়ায় ধর্ষণ মামলা, স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

ছাত্রলীগ নেতাকে চাঁদা না দেওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে এক দিনমজুরকে ধর্ষণের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার সকালে রহনপুর জেলা পরিষদ ডাকবাংলো চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর স্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলার গোমস্তাপুর ইউনিয়নের বেগমনগর গ্রামের ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম কাটুর স্ত্রী মোসা. রুবেদা খাতুন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগীর পিতা আব্দুর রহিম।

লিখিত বক্তব্যে রুবেদা খাতুন জানান, গত ১৪ আগস্ট একই গ্রামের আনারুল ইসলামের স্ত্রী

মোসা. তাসলেমা বেগম গোমস্তাপুর থানায় তার ৯ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে তার স্বামীর বিরুদ্ধে গোমস্তাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

তিনি দাবি করেন,

সেদিন ধর্ষণের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। শিশুটি প্রতিবেশী হওয়ায় তার বাসায় যাতায়াত করত।

ঘটনার সময় তার স্বামী বাসায় ছিলেন না। এটি একটি ষড়যন্ত্রমূলক সাজানো ঘটনা। আমার স্বামী সেদিন কাজ শেষে বাড়ি এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন। ওষুধ খেয়ে সে ঘুমিয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার আগে বাদীর আত্মীয় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমনের নেতৃত্বে

কয়েকজন তার বাড়ি এসে ৪০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। অন্যথায় থানায় মামলা করা হবে বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়।

ছাত্রলীগ নেতা ইমনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আরেফিন বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

গোমস্তাপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন,

অভিযোগের কারণে মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান। তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন :

এনএএন টিভি