রোজা রেখেও বিএনপি এত মিথ্যাচার কীভাবে করে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর।
আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের সুফল ভোগ করেও বিএনপি অনবরত মিথ্যাচার করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রোববার (২৭ মার্চ) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির সময় রেখে যাওয়া ৬২ হাজার কোটি টাকার বাজেট আমাদের সময় ৬ লাখ কোটি ছাড়িয়েছে। তবুও তারা বলে দেশের উন্নয়ন হচ্ছে না।
উন্নয়নের সুফল নিয়ে ঠিকই তারা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। তবু মাইকে সারাদিন মিথ্যাচার করছে। রোজা রেখে তারা কীভাবে পারে এত মিথ্যা কথা বলতে?’
এ সময় বাংলাদেশের মানুষের কষ্ট বোঝে না বলেই বিএনপি রমজানে আন্দোলনের ডাক দেয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপির নেতাকর্মীরা অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, এমন অভিযোগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী দলের সদস্যদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না।
আমরা তো তাদের মিছিল করতে দিচ্ছি। তারাতো আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়িতেই থাকতে দেয়নি।
সড়কে নামলে বর্বর নির্যাতন চালিয়েছে, বাড়িঘর দখল করেছে। হত্যা-গুমের মাধ্যমে ভয়ের রাজত্ব কায়েম করেছিল।
রমজানে যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে, তাদের কাছে কেউ নিরাপদ না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী
আরও বলেন, ‘তারা যা করেছে, সে সবের এক ভাগ করলেও তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।
কিন্তু আমরা প্রতিশোধ নেইনি, আমরা অন্যায় করিনি। আমরা কেবল তাদের অন্যায়ের বিচার করছি।’
বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আঁধার থেকে আলোর পথে যাত্রা শুরু হয়েছে বাংলাদেশের। আওয়ামী লীগের ওপর মানুষের যে আস্থা-ভালোবাসা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রেখে এগিয়ে যেতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যে নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে জানিয়ে সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আজ বিএনপি দেশে-বিদেশে নালিশ করে বেড়াচ্ছে।
আবার ধারাবাহিক গণতন্ত্রও অনেক মোড়লদের পছন্দ নয়। সব মিলে ষড়যন্ত্র চলছে বিভিন্ন স্থান থেকে।
স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রেতাত্মারা যাতে আর ক্ষমতা দখল করতে না পারে, সে জন্য অতন্দ্র প্রহরীর মতো সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’
আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী:উন্নত জীবনের লক্ষ্যেই জাতির পিতা স্বাধীনতা এনে দেন
