বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, এখন সবারই একটা ধারণা গোপালগঞ্জের এই হামলা নির্বাচন পেছানোর নতুন কোনো ষড়যন্ত্র কিনা।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ছবি অবমাননা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য-কটূক্তির প্রতিবাদে মানববন্ধন এবং প্রতিবাদী গণসংগীত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
জাসাস এর উদ্যোগে এই মানববন্ধন এবং প্রতিবাদী গণসংগীত অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় জয়নাল আববিন ফারুক বলেন, গতকাল গোপালগঞ্জে যে আক্রমণ এবং ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ড হয়েছে সে আক্রমণ কি বুঝাতে চেয়েছে আমরা জানি না। এটা কিসের আলামত? যখনই লন্ডনে আমার নেতা তারেক রহমানের সাথে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে তখনই একটি পক্ষ দেশের মধ্যে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আমরা কিন্তু ভেসে আসি নাই। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা করে বসে থাকেননি, সেক্টর কমান্ডার হিসেবে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশ্য তিনি বলেন, গতকালকে গোপালগঞ্জে কোন শয়তান এনসিপির নেতাদের উপর হামলা করল? আওয়ামী লীগের আমলে এক লাখ পুলিশ নিয়োগ হয়েছে। তারা এখন স্বপদে বহাল আছে। আওয়ামী লীগের দোসররা এখনো কেন সচিবালায় বিভিন্ন থানায় বিভিন্ন জেলায় আছে? ১১ মাস চলে গেল একটা নির্বাচন দিতে পারেননি। যখনই নির্বাচনের দিন তারিখের কথা বলেছেন। তখনই ষড়যন্ত্র শুরু হলো। এখন সবারই একটা ধারণা গোপালগঞ্জের এই হামলা নির্বাচন পেছনের নতুন করে ষড়যন্ত্র কিনা। কারণ দেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে দেশের পরিস্থিতি ভালো থাকে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন।
জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা বুঝে শুনে কথা বলেন। অতীতে আপনারা বুঝে শুনে কথা বলেন নাই। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী যখন বাঙালির ওপর হামলা করে তখন কারা আনন্দ মিছিল করেছে, কারা পাকিস্তানের পক্ষে ছিল, তা সবাই জানে। আপনাদের ইতিহাস জাতি জানে, আপনাদের ইতিহাস জাতির কাছে প্রকাশ করতে চাই না। আপনারা জাতির কাছে ক্ষমা চান।
তিনি বলেন, যে বাংলাদেশে আর আয়না ঘর তৈরি হবে না, থানায় নিয়ে পরিবারের সদস্যদেরকে নির্যাতন করবে না, সাংবাদিকরা স্বাধীন মতো তাদের মত প্রকাশ করতে পারবে, এই বাংলাদেশ নির্মাণ করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে আমাদের নেতা তারেক রহমান। বিএনপির বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা বন্ধ না হলে আমরা জনগণকে নিয়ে রুখে দাঁড়াবো। এই সরকারকে বলব আপনারা একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দিন যাতে জনগণ তাদের ভোটার অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
