আমরা নাকি মেয়েদের পাঙ্গাস মাছ খাওয়াই ,বাফুফে

বাফুফের ক্যাম্পে নারী ফুটবলার কি খাওয়ানো হয়? একজন ফুটবলারের প্রয়োজনীয় পুষ্টি কি থাকে সেই খাবারে? এ নিয়ে মাঝেমধ্যেই নানা মন্তব্য দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। অনেকে আবার অভিযোগ করেন মেয়েদের পাঙ্গাস মাছ খাওয়ানো হয়।

এ প্রসঙ্গে সোমবার বিকেলে কথা বলেছেন বাফুফের সদস্য ও নারী উইংয়ের চেয়ারপার্সন মাহফুজা আক্তার কিরণ। দুটি এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে তোলা মেয়েদের থাকা-খাওয়া, ট্রেনিংসহ নানা সুযোগ-সুবিধা প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এক পর্যায়ে কিরণ বলেন, ‘অনেকেই বলেন, আমরা নাকি মেয়েদের পাঙ্গাস মাছ খাওয়াই। তবে পরিস্কার বলছি, মেয়েদের পাতে কখনো পাঙ্গাস দেই না।’

মেয়েদের কি ধরণের খাবার দেওয়া হয়? নারী ফুটবলারদের কি পুষ্টিহীনতা আছে? জবাবে কিরণ বলেছেন, ‘পুষ্টিহীনতার কথায় আমি একমত না। বাফুফের ডরমেটরিতে যে খাবার দেওয়া হয়, তা পুষ্টিবিদ দিয়ে ডায়েট চার্ট করা। অনেকেই বলেন আমরা এখানে পাঙ্গাশ মাছ খাওয়াই। একদিনও পাঙ্গাস মাছ খাওয়ানো হয় না। বেশিরভাগ সময় রুই মাছ থাকে। থাকে মুরগি, গরু, খাসি ও ডিম। মেয়েরা খেতে চাইলে ইলিশ ও পাবদা দেওয়া হয়। ক্যাম্পে তো এমন খাবারই দেওয়া হয়। কেন মিথ্যা প্রচার করা হয়?’

‘অনেকেই বলেন যে আমরা এখানে পাঙ্গাশ মাছ খাই। এক দিনও পাঙ্গাশ মাছ খাওয়ানো হয় না। মেয়েরা যদি ঠিকমত খেতেই না পারে, তাহলে তো শক্তি থাকবে না। ৯০ মিনিট খেলতেই পারবে না।’

নারী দলের প্রধান কোচ পিটার বাটলারও মেয়েদের পুষ্টিকর খাবার না পাওয়া নিয়ে অভিযোগ করেন। তবে কিরণের দাবি, মেয়েদের পুষ্টি নিশ্চিত করে ফেডারেশন।

তিনি বলেন, ‘ওরা তো ৯০ মিনিট একই ছন্দে খেলে। না খেয়ে খেলে? পাঙ্গাশ মাছ খেয়ে খেলে? না, তাদের পুষ্টি আমরা নিশ্চিত করি। কিন্তু ছোটবেলা তাদের যে সমস্যা ছিল, সেটা তো আমরা কাটাতে পারব না।’

সম্প্রতি লাওস গিয়ে খাবার সমস্যায় পড়েছিলেন নারী ফুটবলাররা। সমস্যা সমাধানে বাঙালীয়ানা রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার সংগ্রহ করা হয় বলে জানান কিরণ।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একেক দেশের খাবার একেক রকম। লাওসের খাবার তো আমাদের মেয়েরা খেতে পারে না। বাঙালি খাবার খেতে না পারার কারণে তারা দুর্বল হয়ে পড়ছিল। এজন্য বাঙালি রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার খাওয়ানো হয়।’

এনএএন টিভি