ব্যাংক থেকে লুট করা টাকা এখন খেলাপির খাতায়

সরকার পরিবর্তনের পর ব্যাংকঋণের প্রকৃত অবস্থা প্রকাশ পাচ্ছে, যা আগে গোপন রাখা হয়েছিল। ইসলামি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে দেশের বৃহত্তর শিল্পগোষ্ঠীগুলোর ঋণও খেলাপি হয়ে পড়ছে। সেপ্টেম্বরের শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকায়, যা দেশের ব্যাংকঋণের ১৭ শতাংশ।

সেলিম আর এফ হোসেনের মত অনুযায়ী, এসব ঋণের প্রকৃত অবস্থা পূর্বে গোপন রাখা হয়েছিল এবং আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী নিরীক্ষা পরিচালনা না করার কারণে বাস্তব চিত্র বের হয়নি। তিনি এও উল্লেখ করেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আরও নিরীক্ষার মাধ্যমে পরিস্থিতি উন্নয়নে কাজ করছে।

অর্থনীতিবিদদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে, যে সরকারগত অব্যবস্থাপনাই ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থের লুটপাট ও পাচারের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, প্রকৃত খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে, কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে কিছু ঋণ অন্তর্ভুক্ত হয় নি।

বর্তমান কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন নীতি গ্রহণের মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে এবং ভবিষ্যতে খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র আরও উন্মোচিত হবে বলেও মনে করা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে, ব্যাংক খাতের এই সংকট অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এনএএন টিভি

Share this news as a Photo Card