ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টানা হারের পর দল ও কোচিং স্টাফে ব্যাপক রদবদলের পর ব্যাপক বির্তকের মধ্যে পড়ে পিসিবি। শহীদ আফ্রিদি, মোহাম্মদ ইউসুফ থেকে শুরু করে সাবেক ইংল্যান্ড ক্রিকেটার নাসের হুসেইন এমন সিদ্ধান্তের বিরুপ প্রতিক্রিয়া জানান।
এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে পাকিস্তানের পিছিয়ে পড়ার কারণ খুঁজে বের করেছেন সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হক। তিনি দেশটির ক্রিকেটের উন্নয়নে চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিসিআই) অনুসরণের কথা উল্লেখ করেছেন। তার মতে, ঘন ঘন পরিবর্তনের ফলে খেলোয়াড় ও কোচদের জন্য পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে, যা শেষ পর্যন্ত দলের পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
লর্ডসে ইংল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) টেস্ট দল থেকে সাতজন ক্রিকেটার, প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ এবং সহকারী কোচ উমর গুলকে বাদ দেয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে যেখানে ভালো ফলাফলের আশায় পিসিবি হঠাৎ করেই কোচ ও খেলোয়াড়দের বাদ দিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় সম্প্রীতি পুরুষ জাতীয় নির্বাচক কমিটির পদ থেকে পদত্যাগের করেন মিসবাহ-উল-হক।
পাকিস্তান ক্রিকেট দলের চেয়ে ভারতীয় দল কেন এগিয়ে, তা ব্যাখ্যা করলেন মিসবাহ-উল-হক। সাবেক ডানহাতি এই ব্যাটার উল্লেখ করে বলেন, ভারতীয় ক্রিকেট দল দ্রুতগতিতে এগিয়েছে কারণ বিসিসিআই একটি সঠিক কর্মপরিকল্পনা অনুসরণ করেছে। তারা একটি স্থিতিশীল দল গঠনের লক্ষ্যে সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় ধাপে ধাপে বিনিয়োগ করেছে।
নব্বইয়ের দশকের পর বিসিসিআই-এর করা বিনিয়োগ পরবর্তী বছরগুলোতে সুফল বয়ে আনে। মিসবাহ-উল-হক বলেন, দলকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেরও একটি সুচিন্তিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রয়োজন।
পিটিআই-এর তথ্য অনুযায়ী, একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে মিসবাহ-উল-হক বলেন, ভারত নিজেদের গড়ে তুলতে সময় নিয়েছে এবং নব্বইয়ের দশকের পর তাদের ব্যবস্থায় ধাপে ধাপে বিনিয়োগ করেছে। এই ব্যবস্থার কোনো চটজলদি সমাধান নেই।
মিসবাহ-উল-হক বহু-দিনের ক্রিকেটকে অধিক গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তার ভাষায়, তরুণ পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের মনোযোগ এখন মূলত সীমিত ওভারের ম্যাচ খেলার দিকেই বেশি, বহু-দিনের ম্যাচের (যেমন চার বা পাঁচ দিনের ম্যাচ) দিকে নয়। যেহেতু ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তারা বহু-দিনের ম্যাচ খেলার অভ্যস্ত নন, তাই পাঁচ দিনের ক্রিকেট ফরম্যাটের কঠোর ও দীর্ঘস্থায়ী প্রকৃতির সাথে মানিয়ে নেওয়া তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।
পাকিস্তানের সাবেক এই অধিনায়ক আরও বলেন, আমাদের তরুণরা অত্যধিক সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলায় তাদের দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা তাদের খুব কম। চার দিনের ক্রিকেটও পর্যাপ্ত পরিমাণে হচ্ছে না। এর ফলে চাপের মুখে তাদের ভেঙে পড়ার বা ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
নিজের পর্যবেক্ষণ থেকে ৫২ বছর বয়সী মিসবাহ দাবি করেন, পাকিস্তানে বিদেশি কোচদের তুলনায় স্থানীয় কোচদের অনেক বেশি কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বিদেশি কোচ নিয়োগের বিপক্ষে না হলেও, তিনি লক্ষ্য করেছেন দেশের মানুষের মধ্যে বিদেশি কোচদের প্রতি এক ধরনের বিশেষ দুর্বলতা বা পক্ষপাত কাজ করে। এই বিষয়টিই তাকে সবচেয়ে বেশি পীড়া দেয়।
সাবেক এই ক্রিকেটার বলেন, এটা একটা বাস্তবতা যে পাকিস্তান ক্রিকেটে স্থানীয় ও বিদেশি কোচদের সাথে ভিন্ন আচরণ করা হয়। বিদেশি কোচদের তুলনায় স্থানীয় কোচদের অনেক বেশি যাচাই-বাছাই ও সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়। বিদেশি কোচ নিয়োগে কোনো সমস্যা আছে বলে আমি মনে করি না; তবে আমাকে যা ভাবিয়ে তোলে তা হলো আমরা (ভক্ত, সমালোচক, গণমাধ্যম ও পিসিবি) বিদেশি কোচদের প্রতি এক ধরনের বিশেষ সহানুভূতি বা পক্ষপাত পোষণ করি।
সরফরাজ আহমেদের পরিবর্তে পিসিবি তাদের হোয়াইট-বল কোচ মাইক হেসনকে ক্রিকেটের দীর্ঘতম ফরম্যাটের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। এজবাস্টনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাকিস্তানের তৃতীয় টেস্ট ম্যাচের সময় হেসন দলের দায়িত্বে থাকবেন।
এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে পাকিস্তানের পিছিয়ে পড়ার কারণ খুঁজে বের করেছেন সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হক। তিনি দেশটির ক্রিকেটের উন্নয়নে চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিসিআই) অনুসরণের কথা উল্লেখ করেছেন। তার মতে, ঘন ঘন পরিবর্তনের ফলে খেলোয়াড় ও কোচদের জন্য পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে, যা শেষ পর্যন্ত দলের পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
লর্ডসে ইংল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) টেস্ট দল থেকে সাতজন ক্রিকেটার, প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ এবং সহকারী কোচ উমর গুলকে বাদ দেয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে যেখানে ভালো ফলাফলের আশায় পিসিবি হঠাৎ করেই কোচ ও খেলোয়াড়দের বাদ দিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় সম্প্রীতি পুরুষ জাতীয় নির্বাচক কমিটির পদ থেকে পদত্যাগের করেন মিসবাহ-উল-হক।
পাকিস্তান ক্রিকেট দলের চেয়ে ভারতীয় দল কেন এগিয়ে, তা ব্যাখ্যা করলেন মিসবাহ-উল-হক। সাবেক ডানহাতি এই ব্যাটার উল্লেখ করে বলেন, ভারতীয় ক্রিকেট দল দ্রুতগতিতে এগিয়েছে কারণ বিসিসিআই একটি সঠিক কর্মপরিকল্পনা অনুসরণ করেছে। তারা একটি স্থিতিশীল দল গঠনের লক্ষ্যে সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় ধাপে ধাপে বিনিয়োগ করেছে।
নব্বইয়ের দশকের পর বিসিসিআই-এর করা বিনিয়োগ পরবর্তী বছরগুলোতে সুফল বয়ে আনে। মিসবাহ-উল-হক বলেন, দলকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেরও একটি সুচিন্তিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রয়োজন।
পিটিআই-এর তথ্য অনুযায়ী, একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে মিসবাহ-উল-হক বলেন, ভারত নিজেদের গড়ে তুলতে সময় নিয়েছে এবং নব্বইয়ের দশকের পর তাদের ব্যবস্থায় ধাপে ধাপে বিনিয়োগ করেছে। এই ব্যবস্থার কোনো চটজলদি সমাধান নেই।
মিসবাহ-উল-হক বহু-দিনের ক্রিকেটকে অধিক গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তার মতে, তরুণ পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের মনোযোগ এখন মূলত সীমিত ওভারের ম্যাচ খেলার দিকেই বেশি, বহু-দিনের ম্যাচের (যেমন চার বা পাঁচ দিনের ম্যাচ) দিকে নয়। যেহেতু ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তারা বহু-দিনের ম্যাচ খেলার অভ্যস্ত নন, তাই পাঁচ দিনের ক্রিকেট ফরম্যাটের কঠোর ও দীর্ঘস্থায়ী প্রকৃতির সাথে মানিয়ে নেওয়া তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।
পাকিস্তানের সাবেক এই অধিনায়ক আরও বলেন, আমাদের তরুণরা অত্যধিক সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলায় তাদের দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা তাদের খুব কম। চার দিনের ক্রিকেটও পর্যাপ্ত পরিমাণে হচ্ছে না। এর ফলে চাপের মুখে তাদের ভেঙে পড়ার বা ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
নিজের পর্যবেক্ষণ থেকে ৫২ বছর বয়সী মিসবাহ দাবি করেন, পাকিস্তানে বিদেশি কোচদের তুলনায় স্থানীয় কোচদের অনেক বেশি কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বিদেশি কোচ নিয়োগের বিপক্ষে না হলেও, তিনি লক্ষ্য করেছেন দেশের মানুষের মধ্যে বিদেশি কোচদের প্রতি এক ধরনের বিশেষ দুর্বলতা বা পক্ষপাত কাজ করে। এই বিষয়টিই তাকে সবচেয়ে বেশি পীড়া দেয়।
সাবেক এই ক্রিকেটার বলেন, এটা একটা বাস্তবতা যে পাকিস্তান ক্রিকেটে স্থানীয় ও বিদেশি কোচদের সাথে ভিন্ন আচরণ করা হয়। বিদেশি কোচদের তুলনায় স্থানীয় কোচদের অনেক বেশি যাচাই-বাছাই ও সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়। বিদেশি কোচ নিয়োগে কোনো সমস্যা আছে বলে আমি মনে করি না; তবে আমাকে যা ভাবিয়ে তোলে তা হলো আমরা (ভক্ত, সমালোচক, গণমাধ্যম ও পিসিবি) বিদেশি কোচদের প্রতি এক ধরনের বিশেষ সহানুভূতি বা পক্ষপাত পোষণ করি।
সরফরাজ আহমেদের পরিবর্তে পিসিবি তাদের হোয়াইট-বল কোচ মাইক হেসনকে ক্রিকেটের দীর্ঘতম ফরম্যাটের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। এজবাস্টনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাকিস্তানের তৃতীয় টেস্ট ম্যাচের সময় হেসন দলের দায়িত্বে থাকবেন।
