মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ধর্ষিতার লাথিতে ধর্ষকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আফরোজা বেগম নামে এক নারীকে আটক করে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সামরুল হোসেন।
জানা যায়, গত ১৫ জুন সাটুরিয়া উপজেলা দিঘুলিয়া ইউনিয়নের পূর্ব দিঘুলিয়া আয়নাল হকের কৃষি জমি থেকে টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার আউটপাড়া গ্রামের মৃত ফটিক আলীর পুত্র লোকমান হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে সাটুরিয়া থানা পুলিশ।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত আফরোজা বেগম জানায়,
‘গত ১৫ জুন রাত আনমানিক ৯টার পর মো. লোকমান হোসেন আফরোজা বেগমের বসতবাড়ির পেছনে চকের ভেতর (কৃষি জমি) পুকুর পাড়ে মেয়ের বিয়ের সমন্ধে কথা আছে বলে যেতে বলে।’
‘এ সময় কথাবার্তার পর আফরোজা বেগমকে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য জোর করে লোকমান।’
‘আফরোজা বেগমের পরণের সেলোয়ার ছিঁড়ে ফেলে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে লোকমান।’
‘ধর্ষণ শেষে চলে যাওয়ার সময় আফরোজা বেগম মো. লোকমানের কাছে ১০০ টাকা দাবী করেন। এতে লোকমান হোসেন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আফরোজাকে।’
‘তখন আফরোজা উত্তেজিত হয়ে লোকমানের অণ্ডকোষে সজোরে লাথি মারে।’
‘ধর্ষিতার লাথিতে লোকমান হোসেন আহত হয়ে পরলে তাকে পরনের সেলোয়ার পুকুর থেকে ভিজিয়ে মাথায় দেওয়ার চেষ্টা করে।’
‘কিন্তু আস্তে আস্তে লোকমানের দেহ নিস্তেজ হতে থাকে। এতে আফরোজা ভয় পেয়ে লোকমানকে রেখে বাড়ি চলে আসে।’
‘আফরোজার ভেজা সেলোয়ারটি বসতবাড়ির পেছনে ফেলে দিয়ে আসেন। সেই সেলোয়ার পিবিআই উদ্ধার করেছে মামলার আলামত হিসেবে।’
সাটুরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) ইমাম আল মেহেদি বলেন,
‘নিহত মো. লোকমান হোসেনের ছেলে আব্দুল হাকিম বাদী হয়ে সাটুরিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেছে।’
‘মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরো কেউ জরিত থাকলে তদন্ত করে বের হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আরও পড়ুন:

Comments are closed.