ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানায় কর্মরত ছয়জন পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে কুমিল্লা অঞ্চলের হাইওয়ে পুলিশ কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সড়কে পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন- থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন রহমান, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) বিপুল বড়ুয়া, কনস্টেবল মো. সাহাবুদ্দিন, মো. মস্তু, সাকিবুল ও মো. জহির মিয়া।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের ৩ তারিখে সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাওয়া একটি কাভার্ড ভ্যান থামায় মহাসড়কে দায়িত্বরত টহল পুলিশ। পরে গাড়িটিতে অবৈধ পণ্য থাকার অভিযোগ এনে চালকের কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা আদায় করেন তারা।
বিষয়টি নিয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রতিবেদন প্রচারের পর বিষয়টি আলোচনায় আসে।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৩ জুলাই সিলেট থেকে ঢাকাগামী পণ্যবাহী একটি কাভার্ডভ্যান আটক করেন মহাসড়কে কর্তব্যরত টহল পুলিশের সদস্যরা।
তারা অবৈধ পণ্য পরিবহণের অভিযোগ তুলে ওই কাভার্ডভ্যান থেকে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার করা হয়। এরপর সোমবার ওই থানার ওসিসহ ছয়জনকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার করা হয়।
সরাইল খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা উপরিদর্শক (এসআই) সজীব মিয়া বলেন, একটা অভিযোগের ভিত্তিতে ছয়জনকে একসঙ্গে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার থেকে আমি দায়িত্ব পালন করছি।
হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের এসপি খাইরুল আলম বলেন, একটি অভিযোগের ভিত্তিতে ওসিসহ ছয়জনকে সরাইল খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা থেকে প্রত্যাহার করে হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করছেন। তদন্ত প্রতিবেদনে অপরাধের মাত্রা অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
