ময়মনসিংহে গৌরীপুরে ২০০৬ সালে জমি সংক্রান্ত বিরোধে চৌকিদার রজব আলী হত্যা মামলায় ৭ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।
একইসঙ্গে এই রায়ে ৩ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২০জুলাই) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক সাবরিনা আলী এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আব্দুল কদ্দুছ, তারা মিয়া, হাদিস মিয়া, আবু বকর, আতিউল্লাহ, মতিউর রহমান মতি ও ফকর উদ্দিন।
তাদের মধ্যে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আ. কদ্দুছ, তারা মিয়া, হাদিস মিয়া ও আবু বকর সহোদর ভাই।
তারা ময়মনসিংহে গৌরীপুর উপজেলার বাহেরাতলা গ্রামের মোকাল হোসেন মুন্সির ছেলে। এর মধ্যে পলাতক রয়েছে আসামি তারা মিয়া। বাকিদের উপস্থিতিতে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোশাররফ হোসেন জানান, ২০০৬ সালের ১২ অক্টোবর গৌরীপুর উপজেলার বাহেরতলা এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে আসামিদের হামলায় খুন হন স্থানীয় চৌকিদার রজব আলী।
এ ঘটনার একদিন পর ১৩ সেপ্টেম্বর নিহতের ছেলে হারুন অর রশিদ বাদী হয়ে ১১ জনকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এরপর আসামিদের মধ্যে একজন মারা যায়।
ওই মামলায় বাকি আসামিদের মধ্যে ৭ জনের বিরুদ্ধে বাদীর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন।
সেই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
তারা হলেন- আহসান উল্লাহ, আক্কাস আলী ও আবাদ উল্লাহ।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট সঞ্জীব সরকার এবং আসামি পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট খালেকুজ্জামান।
এদিকে এই রায়ে বাদী পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করলেও আসামিদের স্বজনরা এই রায়ে ন্যায় বিচার পাননি বলে দাবি করেন।
আসামিদের স্বজন মো. মমিনুল ইসলাম রুবেল জানান, আমরা এই রায়ে ন্যায় বিচার পাইনি। এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।
আরও পড়ুন :
- ইতালি সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
- পুলিশ-মাদক ব্যবসায়ী সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু
- জিমের ট্রেডমিলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ভারতীয় যুবকের প্রাণহানি
- স্কুল, কলেজ স্তরের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হবে নভেম্বরের মধ্যে
- কিডনি কেনা-বেচায় গ্রেফতার ৫
