শেরপুরের নকলার ৩নং উরফা ইউনিয়নের পিছলাকুড়ি গ্রামের ১৩টি ঘর, প্রতিটি ঘর সরকারি বরাদ্দে প্রতিটি ঘর ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা করে নির্মাণ করা হয়েছিলো ।
যা গতকাল মঙ্গলবার রাতের সামান্য ঝড়ে ৩টি ঘরের ছাউনি উপরে গিয়েছে ।
ঘরগুলো নিম্মমানের উপকরণ,ইট, রড, সিমেন্ট, কাঠ ও টিন দিয়ে নির্মাণ করা হয়। ঘরগুলো সামান্য বাতাসে তিনটি ঘরের চাল উড়িয়ে নেয় ।
বর্তমানে ঘর গুলো সরকারি লোক মেরামত করার জন্য চেষ্টা করছেন ।
তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ যারা ঘরের বরাদ্দ পেয়েছিলো তারা এসব ঘর গুলোতে বসবাস করতে ভয়
পাচ্ছেন ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ নিম্মমানের উপকরন দিয়ে ঘরের কাজ করার ফলে টিনের চাল উড়ে গেছে , দরজা ও জানালা ভেঙ্গে গেছে ।
ওয়ালের প্লাষ্টার ধবংসে পড়ছে । সামনে ঝড় তুফানের বিপদকে মাথায় নিয়ে বরাদ্দ পাওয়া ঘরের মালিকরা সেখানে বসবাস করতে রাজি নন অনেকেই।
এখানে নলকুপ ও ল্যাবটিন বসানো হয়নি। মাত্র ২৭দিনে তড়িগড়ি করে নিম্মমানের উপকরণ দিয়ে ঘর গুলো তৈরির ফলে সামান্য বাতাসে ভেঙ্গে লন্ডবন্ড হয়ে যাচ্ছে ।
এ বিষয়ে সংলিষ্ট পিআইও মো: তারিফুল ইসলামকে প্রশ্ন করলে
তিনি বলেন ইউএনওকে জানান । অনেকক্ষন অফিসে অপেক্ষা করলেও ইউএন’ওর দেখা মিলেনি ।
ইউসুফ আলী মন্ডল
নকলা প্রতিনিধি:
আরও পড়ুন :
