গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় চার বছর বয়সের একটি শিশুর স্কুলপড়ুয়া বোনকে দেয়া প্রেমের প্রস্তা রাজি না হওয়ায় একপর্যায়ে আসামী সাকিব হাসান তাকে বিয়ের প্রস্তাবও দেন। এই পরিস্থিতিতে সাকিবের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে অষ্টম শ্রেণির (১৪) ওই ছাত্রীর পরিবার অন্যত্র তার বিয়ে ঠিক করে। বিয়ের খবরে ক্ষিপ্ত সাকিব হাসান পরিকল্পিতভাবে ওই স্কুলছাত্রীর ভাইকে অপহরণের পর গলা টিপে হত্যা করেন।
গতকাল সোমবার আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব কথা বলেছেন সাকিব হাসান।
এর আগে, শিশুটি গত ৮ মে বিকেলে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। এরপর সে আর বাড়িতে ফিরে আসেনি।
১৩ মে সন্ধ্যায় পলাশবাড়ী উপজেলার তালুক ঘোড়াবান্ধা গ্রামের ধানখেত থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়ে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. কামাল হোসেন উল্লেখ করেন,
‘হত্যাকাণ্ডের শিকার ওই শিশু পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের এক প্রবাসীর ছেলে।
শিশুটি ৮ মে বিকেলে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। এরপর সে আর বাড়িতে ফিরে আসেনি।
এ ঘটনায় ৯ মে শিশুটির মা (৩৫) পলাশবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
অনেক খোঁজাখুঁজির পরও শিশুটিকে না পেয়ে তার মা ১০ মে দুপুরে পলাশবাড়ী থানায় অপহরণের অভিযোগ মামলা করেন।
মামলায় কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। ১৩ মে সন্ধ্যায় পলাশবাড়ী উপজেলার তালুক ঘোড়াবান্ধা গ্রামের ধানখেত থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার বলেন,
‘১৩ মে রাতে পুলিশ ওই শিশুকে হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পলাশবাড়ী
উপজেলার তালুক ঘোড়াবান্ধা গ্রামের বালুখোলা এলাকার সাকিব হাসান ওরফে রোমান (১৯) ও শরিফুল ইসলামকে (২০) গ্রেপ্তার করে।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে সন্তোষজনক জবাব না দেওয়ায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পলাশবাড়ী
থানার পরিদর্শক নূর-ই-আলম সিদ্দিকী দুই আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেন।
পুলিশ সুপার বলেন,
‘প্রধান আসামি সাকিব হাসানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ওই চার বছরের শিশুকে হত্যার বর্ণনা দিয়েছেন দিয়ে বলেছেন,

Comments are closed.