ঈদ সামনে রেখে বরিশালের দর্জিপাড়ায় ব্যস্ততা বেড়েছে। সেখানে গ্রাহকরা পছন্দমতো পোশাক বানাতে ভিড় করছেন।
সোমবার (১০ এপ্রিল) নগরীর কাঠপট্টি এলাকার দর্জিপাড়ায় সরেজমিনে দেখা যায়,
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাহানা শিরিন তার একমাত্র মেয়ে হৃদিতা ইসলামকে নিয়ে
সেখানে নিজের জন্য থ্রিপিস আর মেয়ের জন্য লেহেঙ্গা বানাতে এসেছেন।
ঈদে রেডিমেড কাপড়ের ভিড়ে নিজেদের আলাদা রাখতে ও পছন্দসই ডিজাইন দিয়ে কাপড় বানাতে দর্জিপাড়ায় এসেছেন তারা।
বলাবাহুল্য, ঈদের আগেই পোশাক তৈরি চান তারা।
শাহানা শিরিন বলেন, ‘এখানে নিজের পছন্দমতো পোশাক বানাতে পারি,
সেই জন্য রেডিমেড পোশাকের পাশাপাশি আমি সব সময় জামাকাপড় বানাতে পছন্দ করি।’
শুধু শাহানা শিরিন ও তার মেয়েই নন, দর্জিপাড়ায় ভিড় বেড়েছে নারীদের।
তবে দর্জির দোকানগুলো ঈদের সুযোগে মজুরি বেশি রাখছে বলে জানান গ্রাহকরা।
এক নারী অভিযোগ করে বলেন, ‘জামার মজুরির দাম বেশি। তা একটু কম হলে আমাদের জন্য ভালো হতো।’
এবারের ঈদে চাহিদা গাউন, লেহেঙ্গা ও থ্রিপিস বানানোর বেড়েছে।
অর্ডার বেশি থাকায় রোজার শুরু থেকেই দিনরাত কাজ করছেন দর্জিপাড়ার কারিগররা।
তবে বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ায় মজুরি কিছুটা বেড়েছে বলে জানান তারা।
নিউ রোশনী টেইলার্স অ্যান্ড এমব্রয়ডারির মাস্টার মো. মিজান আহমেদ বলেন,
‘এবার ঈদে লেগেঙ্গা, গাউন ও থ্রি পিসের মতো পোশাকের চাহিদা বেশি।
বর্তমানে আমরা সময়মতো ক্রেতার পোশাক বানিয়ে সরবরাহ করার বিষয়ে গুরুত্ব বেশি দিচ্ছি।
তাই আমরা দেখা যায় সারা রাতই কাজ করি।’
উল্লেখ্য, বরিশাল নগরীতে ছোট বড় মিলিয়ে মোট ৫ শতাধিক দর্জির দোকান রয়েছে।
আরও পড়ুন:
