কাঁচা মরিচের বাজার তদারকিতে এসে বুধবার (৫ জুলাই) দিবাগত রাতে দামের মধ্যে ব্যাপক গরমিল পেয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।
দামের বিস্তর ফারাকে অবাক হলেও তারা শাস্তিমূলক কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
কয়েক দিন ধরে মরিচের বাজারে আগুন জ্বলছে। সে আগুনে পুড়ছে ক্রেতার পকেট। সাম্প্রতিক নিত্যপ্রয়োজনীয় যেকোনো পণ্যের দামের রেকর্ড ছাড়িয়েছে মরিচের ঝাঁজ।
সে ঝাঁজের খবর নিতে মধ্যরাতে রাজধানীর কাওরানবাজারে যায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।
বাজারে আসা মরিচের বস্তা কত টাকায় কেনা, এমন প্রশ্নে একেক পাইকার একেক রকম দাম জানান।
কেউ বলেন কেজিপ্রতি ৩৫০ টাকা। কেউ আবার ৩০০ টাকা হাঁকছেন।
এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমরা বেশি দামে কিনেছি, তাই বিক্রিও বেশি দামেই করছি। আজ আমার কাছে বগুড়া থেকে দেশি কাঁচা মরিচের সরবরাহ আসছে।
সেটি সাড়ে ৩০০ টাকা কেজি দরে কেনা। আবার রংপুর থেকে প্রতিকেজি ৩০০ টাকা কেজি দরে কিনেছি।’
তা ছাড়া কোনো ব্যবসায়ী পণ্য কেনার রসিদ দেখাতে পারেননি। পাশাপাশি বাজারে চলছে মৌখিক ভিত্তিতে দামের ওঠানামা।
আরেক ব্যবসায়ী বলেন, আমদানি করা মরিচ বাজারে চলে আসছে। তাই দেশি মরিচের দাম কিছুটা কমে এসেছে।
যত মরিচ আমদানি হবে, ততই দেশের বাজারে দাম কমবে। বাজারে চাহিদা না থাকলে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হবে, আর চাহিদা থাকলে ৩০০ টাকায় বিক্রি হবে।
বাজারে আসা এক খুচরা কাঁচা মরিচ ব্যবসায়ী বলেন, সকালে ৩৫০ টাকা কেজি দরে মরিচ কিনেছি। এখন কিনলাম ৩০০ টাকা কেজি দরে।
তবে এসব ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত প্রতিবেদন দেয়ার কথা জানিয়েছে ভোক্তা অধিকার।
এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক আব্দুর জব্বার মন্ডল বলেন, ‘ক্রয়ের যে ক্যাশ মেমো রাখার বিধান, ব্যবসায়ীরা সেটি মানছেন না।
পাশাপাশি সে রকমভাবে বিক্রয়ের ক্যাশ মেমোও দেয়া হচ্ছে না। আবার তারা মৌখিকভাবে দাম নির্ধারণ করছেন।
কোনো কারসাজি হচ্ছে কি না বা কারা জড়িত; এ বিষয়ে আমরা আমাদের মহাপরিচালকের কাছে প্রতিবেদন জমা দেব।’
এদিকে মরিচের মোকামে অভিযানের দাবি জানিয়েছেন কারওয়ানবাজার ব্যবসায়ীরা।
আরও পড়ুন :

Comments are closed.