সিলেটে প্রায় দ্বিগুণ রেমিট্যান্স এসেছে

গত বছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে সিলেটে প্রায় দ্বিগুণ রেমিট্যান্স এসেছে।

এ ধারা অব্যাহত রাখতে অবৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো বন্ধে সরকারকে আরও উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান ব্যাংকারদের।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, গত বছর দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২ বিলিয়ন ডলার।

এর মধ্যে শুধু সিলেটেই এসেছিল ১ হাজার ৫৭০ মিলিয়ন ডলার, যা মোট রেমিট্যান্সের ৭ দশমিক ৫১ ভাগ।

আর গত বছরের প্রথম তিন মাসে সিলেটে রেমিট্যান্স আসে ৩৮৮ দশমিক ৪৫ মিলিয়ন ডলার।

তবে চলতি বছর একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৬৪৮ দশমিক ৪৫ মিলিয়ন ডলার, যা মোট রেমিট্যান্সের ১১ দশমিক ৭০ ভাগ।

বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট শাখার নির্বাহী পরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন,

গত বছর এই সময়ে সারা বছরে সিলেটে রেমিট্যান্সের পরিমাণ সাড়ে ৭ শতাংশ থাকলেও

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে সেটি দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৭০ শতাংশে।

তিনি আরও বলেন, করোনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের শঙ্কা কাটতে শুরু করায় দেশে বাড়তে শুরু করেছে রেমিট্যান্সপ্রবাহ।

এ ছাড়া সামনে এর পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন সাইফুল ইসলাম।

অন্যদিকে বৈধপথে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বাড়ানোর জন্য সরকারি বিভিন্ন সংস্থাগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান ব্যাংক কর্মকর্তারা।

পূবালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক আবু লেইছ মো. শামসুজ্জামান বলেন,

সরকারের এজেন্সিগুলো আরও বেশি সক্রিয় হলে হুন্ডির পরিমাণ কমে যাবে। বাড়বে বৈধ পথে টাকা পাঠানোর পরিমাণ।

আর শ্রেষ্ঠ রেমিট্যান্স পাঠানো ব্যবসায়ীদের মতে, আরও রেমিট্যান্সযোদ্ধাকে পুরস্কৃত করা গেলে সবার মাঝে উৎসাহ বাড়বে।

সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠরেমিট্যান্স প্রেরণকারী মাহিউদ্দিন আহমদ সেলিম বলেন, এখন প্রত্যেক জেলায় মাত্র একজনকে পুরস্কৃত করা হয়।

এর পরিমাণ বাড়াতে হবে। এতে প্রবাসীরা বৈধ পথেরেমিট্যান্স পাঠানোয় উৎসাহী হবে।

আরও পড়ুন: 

এনএএন টিভি