হবিগঞ্জের পাইকারি বাজারে মাছের সরবরাহ বেড়েছে

কয়েক দিনের বৃষ্টিতে হবিগঞ্জের পাইকারি বাজারে মাছের সরবরাহ বেড়েছে।

এতে কমতে শুরু করেছে দাম। নিয়মিত বৃষ্টি হলে দাম আরও সহনীয় হবে বলে মনে করেন আড়তদাররা।

হবিগঞ্জের শায়েস্তানগর বাজারে দেশি মাছের সবচেয়ে বেশি বেচাকেনা হয়। এখানে মিঠা পানির সব ধরনের মাছই পাওয়া যায়।

ভোর থেকেই পাইকারি ও খুচরা ক্রেতারা এ বাজারে ভিড় করেন। এখানে রুই, কাতল, মৃগেল, শোলসহ দেশীয় সব ধরনের মাছ ওঠে।

তবে কয়েক দিন ধরে বৃষ্টি হওয়ায় বাজারে মাছের সরবরাহ বেড়েছে।

এতে দামও কিছুটা কমতে শুরু করেছে। প্রকারভেদে প্রতি কেজি মাছের দাম ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

এ বাজারে প্রতিকেজি বোয়াল, মাগুর, চিতল, বাইম ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, শোল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা,

শিং, রুই ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, কাতল, মলা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং নয়না ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

দাম কমায় বাজারে আশা পাইকারি ব্যবসায়ীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। এক পাইকারি ব্যবসায়ী বলেন, হাওড়াঞ্চলের মাছ এখানে বিক্রি করা হয়।

এখানে সব ধরনের মাছ পাওয়া যায়। পাশাপাশি দামও ভালো। আমাদের মতো পাইকারি ব্যবসায়ীরা তা কিনে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করি।

এদিকে বাজারের উন্নয়ন করা হলে আরও বেশি বেশি মাছ বেচাকেনা হবে বলে মনে করেন হবিগঞ্জ শায়েস্তানগর বাজার কমিটির সদস্য তৌহিদ আলী।

তিনি বলেন, এখানে বিভিন্ন এলাকার পাইকারি মাছ ব্যবসায়ীরা আসেন, কিন্তু জায়গা স্বল্পতার কারণে শান্তিমতো মাছ বিক্রি করা যায় না।

শায়েস্তানগর মাছবাজারে প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত চলে বেচাকেনা।

খুচরা ও পাইকারি মিলিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকার মাছ বিক্রি হয়।

আরও পড়ুন :

এনএএন টিভি