উট পালন ও বিপণন ব্যবস্থাকে আরও সুশৃঙ্খল করতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে এর গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে নতুন একটি ‘উট পাসপোর্ট প্রকল্প’ চালু করেছে সৌদি আরব। দেশটির পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগের মাধ্যমে উট খাতকে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা হবে।
। অভিনব এই উদ্যোগ দেশটিতে বেশ সাড়াও ফেলেছে। এর ফলে সরকারকে লাখ লাখ পাসপোর্ট ইস্যু করতে হবে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, পাসপোর্টের নাম হবে ‘উট পাসপোর্ট’। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে উটের বাজারের উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও বিশেষভাবে নিয়ন্ত্রণ, পশুপালন ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই নতুন পদক্ষেপ। অভিনব উদ্যোগের নেপথ্যে আছেন দেশের পরিবেশ, প্রাণী ও কৃষি বিভাগের উপমন্ত্রী মনসুর আলমুসাইতি। মাইক্রোচিপ ব্যবস্থাতে নথিভুক্ত থাকবে নম্বর, নাম, জন্ম, লিঙ্গ, জাতি ও রং, প্রজনন ক্ষমতাসহ বিভিন্ন তথ্য। থাকবে ছবিও। একই সঙ্গে উল্লেখ থাকবে উটের মালিকের তথ্য।
গত মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া দফতরের বিবৃতি অনুযায়ী, এই পাসপোর্ট আসলে এমন নথি যাতে উটদের স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে যাচাইয়ের তথ্যও থাকবে। তাতে নথিভুক্ত থাকবে টিকা ও রোগ সম্পর্কে। আরও জানা গেছে, এই উদ্যোগের নেপথ্যে লক্ষ্য উট প্রজনন শিল্পের উন্নতি ও প্রসার ঘটানো।২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত হিসাব অনুসারে, সৌদি আরবে ২২ লাখের বেশি উট রয়েছে।
