ভারতে এর উত্তর প্রদেশের হাথরসে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদদলিত হয়ে নারী ও শিশুসহ মৃতের সংখ্যা ১০৭ থেকে বেড়ে ১২১ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও অনেকে। ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে পুলিশের একটি দল।
খবর: দ্যা ইকোনোমিকস। সংবাদ মাধ্যমটিতে বলা হয়েছে, বুধবার (৩ জুলাই) ভারতের হাথরসের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে ১২১ জনের মৃত্যুর পরের দিন সকালেই ওই ধর্মীয় গুরুর আশ্রমে পৌঁছে গেছে দেশটির উত্তরপ্রদেশ পুলিশের একটি বড় দল। কিন্তু ধর্মগুরুর সন্ধান এখনও মেলেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২ জুলাই) হাথরস জেলার সিকান্দ্রা রাউ এলাকার রতি ভানপুর গ্রামে বিশেষভাবে স্থাপিত তাবুতে এক ধর্মপ্রচারক তার অনুগামীদের উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন। সেই অনুষ্ঠান শেষে প্রচণ্ড গরমে তাবু থেকে বের হওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ওই জায়গায় জমায়েত হওয়ার জন্য সাময়িক অনুমতি দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশ বলছেন, সেখানে প্যান্ডেল বাঁধা হয়েছিল, তাতে ব্যারিকেড ছিল। প্যান্ডেল খোলামেলা থাকলেও আর্দ্রতা এবং গরমের কারণে সকলেই হাঁসফাঁস করছিলেন এবং তারা অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরেই হুড়মুড়িয়ে বাইরে বের হতে যান। কিন্তু আসা-যাওয়ার গেট অত্যন্ত সঙ্কীর্ণ হওয়ার কারণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। অনেকে মাটিতে পড়ে যান। বাকিরা তাদের ওপর দিয়েই বাইরে বেরোনোর চেষ্টা করেন। তাতেই মারা গিয়েছেন শতাধিক ভক্ত।
এই ঘটনার তদন্তের জন্য বিশেষ কমিটি গড়ার নির্দেশ দিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। সেই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন, অতিরিক্ত ডিজিপি। পদপিষ্টের ঘটনার পর সেই আশ্রমেই গিয়েছেন তদন্ত কমিটির সদস্যেরা। প্রশাসনের নির্দেশ, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযুক্তদের যেন কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়।
