সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়ার বিভিন্ন দেশ এবং ইউরোপ-আফ্রিকা ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা।
হজের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি দেবেন হাজিরাও।
মক্কার কাবা শরিফ, মদিনার মসজিদে নববীসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মসজিদে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
এরই মধ্যে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।
মঙ্গলবার (২৭ জুন) সৌদি আরবে হজ পালিত হয়। সকাল থেকেই হাজিরা আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত ছিলেন।
হজের দিন হাজিরা আরাফার ময়দানে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করেন।
এরপর স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টায় (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৩টায়) মসজিদে নামিরা থেকে হজযাত্রীদের উদ্দেশে খুতবা দেওয়া হয়।
সূর্যাস্ত পর্যন্ত তারা আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করে জিকির-আসকার ও ইবাদতে মশগুল ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে তারা মুজদালিফায় অবস্থান করেন।
বুধবার ১০ জিলহজ ভোরের আলো ফুটতেই মিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন হাজিরা।
সেখানে জামারায় প্রতীকী শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়ছেন। এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় মিনায় পশু কোরবানি দেবেন তারা।
সবশেষ মক্কায় ফিরে কাবা ঘরে বিদায়ী তাওয়াফ করবেন হাজিরা।
মঙ্গলবার আরাফাত ময়দানের খুৎবায় মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরালো করার আহ্বান জানানো হয়।
প্রায় ২৬ লাখ মুসল্লির কণ্ঠে একযোগে উচ্চারিত হয় ‘লাব্বায়েক আল্লাহুম্মা লাব্বায়েক’ ধ্বনি।
আরও পড়ুন :

Comments are closed.