চিকিৎসকের পরামর্শে বা এমনিতেই খাওয় যায় ক্যালসিয়াম

রোগীরা প্রায়ই ক্যালসিয়াম এর অভাবে বলে থাকেন, ডাক্তার আমার হাঁটুতে ব্যথা, কোমরে ব্যথা, সর্বশরীরে ব্যথা; কিছু ওষুধ লিখে দিন।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে বা এমনিতেই যে ওষুধটি খাওয়া হয়, তা হলো ক্যালসিয়াম ।

ক্যালসিয়াম একটি জনপ্রিয় ওষুধ। এটি ওভার দ্য কাউন্টার ড্রাগ, মানে কিনতে প্রেসক্রিপশন (ব্যবস্থাপত্র) লাগে না।

অনেকেই তাই ব্যথাবেদনা, হাড় শক্ত করতে বা এমনিতেই সাপ্লিমেন্ট (সম্পূরক) হিসেবে গ্রহণ করেন।

ক্যালসিয়ামের উৎস

আমাদের শরীরক্যালসিয়াম প্রস্তুত করতে পারে না। বাইরে থেকে ক্যালসিয়ামের জোগান দিতে হয়।

ক্যালসিয়ামের সর্বোত্তম উৎস হলো খাবার।

ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার হলো দুধ (১ কাপ দুধে প্রায় ৩০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়ামআছে),

দই, সবুজ শাকসবজি (যেমন: ব্রকলি, কলা), মাছের নরম কাঁটা, সয়াবিন, বাদাম, শিম ইত্যাদি।

দৈনিক ক্যালসিয়ামের চাহিদা

নয় বছরের কম বয়সীদের দৈনিক ১ হাজার মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম দরকার।

৯ থেকে ১৮ বছরের মানুষের দরকার দৈনিক ১ হাজার ৩০০ মিলিগ্রাম।

১৯ থেকে ৫০ বছর বয়সীদের দৈনিক ১ হাজার মিলিগ্রাম (সর্বোচ্চ সীমা ২ হাজার ৫০০ মিলিগ্রাম) চাহিদা থাকে।

আর ৫০ বছরেরে বেশি বয়সীদের দৈনিক ১ হাজার ২০০ মিলিগ্রাম (সর্বোচ্চ সীমা ২ হাজার মিলিগ্রাম)।

ক্যালসিয়াম সেবনের নিয়মাবলি–

  • খাবার খাওয়ার পর খেতে হবে
  • অধিক আঁশজাতীয় খাবারের সঙ্গে খাওয়া উচিত নয়
  • একবারে ৫০০-৬০০ মিলিগ্রামের বেশি খাওয়া যাবে না
  • আয়রন ও জিংক খাওয়ার ১-২ ঘণ্টা পর ক্যালসিয়াম খেতে হবে
  • এক বেলা হলে সকালে খাওয়া ভালো। এতে হজম ভালো হয়। দুই বেলা হলে সকালে ও রাতে খাওয়া উচিত

আরও পড়ুন :

এনএএন টিভি