বর্তমানে কর্মব্যস্ত জীবনের ফাঁকে নিত্যদিনের বাজার করা গুরুতর সমস্যাই বটে, এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে মাসকাবারি বাজার একেবারে সেরে ফেলেন। তবে এই তালিকায় কেউ কেউ ভুলবশত ২-৩ ডজন ডিম কিনে ফ্রিজে সংরক্ষণ করেন, তবে এটি করা সঠিক নয়, কেননা অনেক সময় দোকান থেকে কেনার ডিম পঁচা থাকে, আবার দীর্ঘদিন বাড়িতে থাকলেও পঁচে যায়।
বলা বাহুল্য, ডিম পণ্যটি বেশিদিন ভালো থাকে না। আবার শক্ত আবরণের কারণে ডিম পচে গেলেও তা সহজে চোখে ধরা পড়ে না।

কিছু সহজ উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে সহজে পঁচা ডিম শনাক্ত করা সম্ভব। চলুন এমন কিছু উপায় সম্পর্কে জেনে নিই-
পানি দিয়ে পরীক্ষা
একটি বড় পাত্রে পানি ভরে দিন। এবার বাজার থেকে আনা একটি ডিম নিয়ে পানিতে ডুবিয়ে রাখুন।

ডিমটি যদি নিচে পড়ে থাকে তবে বুঝবেন তাজা। আর ডিম যদি পঁচা হয় তবে তা জলের ওপর ভাসতে থাকবে।
সেদ্ধ ডিম
ডিম সেদ্ধ করার পর যদি কুসুমের চারপাশে একটি সবুজ রঙের বলয় দেখতে পান তবে বুঝবেন এটি পঁচা ডিম নয়।

পানিতে আয়রনের উপস্থিতির কারণে এটা হয়। তবে সেদ্ধ করার পর উটকো গন্ধ পেলে সেই ডিম খাবেন না।
ডিম নাড়ানো
বাজার থেকে ডিম কেনার সময় কানের কাছে নিয়ে নাড়িয়ে নিন। কোনও শব্দ পেলে বুঝবেন পচে গিয়েছে। তাজা ডিম নাড়ালেও কোনো শব্দ হয় না।
একটি ডিম কত দিন পর্যন্ত খাওয়া যেতে পারে?

ডিম এক সপ্তাহের মধ্যে নষ্ট হয়ে যায়। তবে ফ্রিজে রাখলে এটি ১ মাস পর্যন্ত খাওয়ার উপযুক্ত থাকে।
ডিম কেনার আগে তা কত দিন দোকানে রাখা হয়েছিল সেটি জেনে নিতে হবে।
