দীর্ঘসময় শিশুরা স্কুলে সময় কাটায়। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষায় শিশুর টিফিনে স্বাস্থ্যকর খাবার দেয়ার কোনো বিকল্প নেই।
কিন্তু অনেক অভিভাবকই না জেনে শিশুর টিফিনে ঝুঁকিপূর্ণ খাবার দিয়ে থাকেন, যা মোটেও উচিত নয়।
পুষ্টিবিদরা বলছেন, শিশুদের স্কুলের টিফিনে ৬টি খাবার অনেক ঝুঁকিপূর্ণ।
প্রতিটি সচেতন অভিভাবকেরই তাদের সন্তানের এই ছয়টি খাবার টিফিনে দেয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
এগুলো হলো–
১। ইনস্ট্যান্ট নুডলস: প্রিজারভেটিভ সমৃদ্ধ ইনস্ট্যান্ট নুডলসে কোনো ধরনের পুষ্টিমান অবশিষ্ট থাকে না। উল্টো স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায় অনেক বেশি।
২। সবজি: বাড়িতে তৈরি সবজিও শিশুকে টিফিনে দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
কারণ, গরমের এই সময় সবজি খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। আর তাই বদ্ধ টিফিন বক্সে সবজিতে সহজেই ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয়।
৩। ফ্রাইড ফুড: ভাজাজাতীয় কোনো খাবার শিশুদের টিফিনে আজ থেকেই এড়িয়ে চলুন।
অস্বাস্থ্যকর এসব ফ্যাটি খাবার শিশুদের ওজন বাড়িয়ে তোলে।
অল্প বয়সে মুটিয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে জটিল রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়।
৪। প্রসেসড মাছ, মাংস: আজ বিভিন্ন বড় বড় শপে পাওয়া যায় সসেজ, ফ্রোজেন মাছজাতীয় খাবার।
এসব খাবার সরাসরি খাওয়া যেমন ঠিক নয়, তেমনি এসব খাবার দিয়ে তৈরি ফাস্ট ফুড যেমন: বার্গার, হটডগ, ফিশ বল খাওয়াও ঠিক নয়।
এসব খাবার দেয়ার মানে খাবারকে আরও বিষাক্ত করে তোলা।
৫। প্রসেসড স্ন্যাকস: শিশুদের টিফিনে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় কুকিজ, চিপসের মতো প্যাকেটজাত খাবার।
এসব খাবারও শিশুদের টিফিনের জন্য নিরাপদ নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
৬। মিষ্টি ও চকলেটজাতীয় খাবার: চিনিজাতীয় খাবার যেমন: জ্যাম, জেলি, চকলেট, লজেন্সজাতীয় খাবারও শিশুর টিফিনে দেয়া থেকে বিরত থাকুন।
শিশু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব ঝুঁকিপূর্ণ খাবারের পরিবর্তে শিশুর স্কুলে দিতে পারেন হাতে তৈরি আটার রুটি,
ডিম পোচ অথবা পাউরুটির সঙ্গে সিদ্ধ ডিম। এসব খাবারের সঙ্গে দিতে পারেন আঙুর, খেজুর, আপেল, কমলার মতো পুষ্টি সমৃদ্ধ ফল।
আরও পড়ুন :

Comments are closed.