জেনে নিন ইফতারে কী খাবেন, কী খাবেন না

রমজান মাসে খাদ্যাভ্যাস, জীবন যাপন, পাশাপাশি খাবারের সময়—প্রতিটি বিষয়ে দেখা যায় পরিবর্তন। সেজন্য রমজানে খাদ্যাভ্যাস হতে হবে সুষম ও সুনিয়ন্ত্রিত।

রমজান মাসে বিভিন্ন অস্বাস্থ্যকর খাবার ও অতিরিক্ত তেল-চর্বিজাতীয় খাবার গ্রহণ করার ফলে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। তার মধ্যে অন্যতম—যদি আপনার বিভিন্ন রোগ থাকে, তাহলে রোগের পরিমাণ বা রোগ তুলনামূলকভাবে বেড়ে যেতে পারে, যদি আপনি অনিয়ন্ত্রিত বা অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করেন।

ইফতারে যা খাবেন: ইফতার শুরু করতে হয় খেজুর বা খোরমা দিয়ে। সবজি ও ফল খেতে হবে। ইফতারে আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন, খনিজ জাতীয় খাবার খেতে হবে। ইফতারের পর থেকে সেহরির আগ পর্যন্ত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করা জরুরি। কেননা সারাদিন না খেয়ে থাকার কারণে শরীরে পানির অভাব দেখা দিতে পারে। হজমের সমস্যা হতে পারে। তাই ইফতারের পর পরিমাণমত পানি পান করতে হবে।

এছাড়া আঁশযুক্ত খাবারের মধ্যে লাল আটা, বাদাম, বিনস, ছোলা, ডাল ইত্যাদি খেতে হবে। কলা খেতে পারেন। কেননা প্রতিটি কলায় প্রায় ১০৫ ক্যালরি থাকে। রোজার শেষে শরীর, মস্তিষ্ক ও স্নায়ুকোষ খাবারের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক শক্তির জোগানে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে কলা।

ইফতারে যা খবেন না: অতিরিক্ত তেল ও মসলাযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভাল। তবে খেতে হলে অল্প পরিমাণ খেতে হবে। সম্ভব হলে তালিকা থেকে ছোলা ভুনা, পেঁয়াজু, বেগুনি, চপ, হালিম, বিরিয়ানি ইত্যাদি বাদ দিতে হবে। পাশাপাশি বাদ দিতে হবে চিনিযুক্ত খাবার। দুর্বলতা কাটাতে ডাবের পানি বা স্যালাইন খাওয়া যেতে পারে।

 

কোরআন তেলাওয়াত ৩