নগর পরিবহনের সকল রুট চলতি বছরেই চালু হবে

গত ২০২১ সালের ২৬ ডিসেম্বর বাস্তবতা দেখে রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রম। তাই পরীক্ষামূলকভাবে ২১ নম্বর রুটে যাত্রা শুরু করে ঢাকা নগর পরিবহন। যাত্রীর চাহিদা বিবেচনায় বাড়ানো হয় রুটের সংখ্যা।

সাম্প্রতিক আরও নতুন দুটি রুটে চালু হয়েছে এই পরিষেবা। বাকি রুটগুলোতেও এই কার্যক্রম বিস্তারের লক্ষ্যে রূপরেখা ঘোষণা করেছে রেশনালাইজেশন কমিটি; যা শীঘ্রই সড়কে নামবে বলে জানা গেছে।

সিটি করপোরেশন সূত্রে জান যায়,

‘বর্তমানে দৈনিক প্রায় ৩০ হাজার মানুষ এই সেবা গ্রহণ করছে।

৯টি গুচ্ছের মধ্যে চালু হওয়া সবুজ গুচ্ছের পরীক্ষামূলক ৩ রুটে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা

এবং তা মোকাবিলায় বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে চলতি বছরের মধ্যেই এই গুচ্ছের বাকি ৫টি রুটেও বাস ছুটবে যাত্রী নিয়ে।’

এ বিষয়ে সিটি করপোরেশন বলছে,নগর পরিবহনের সকল রুট চলতি বছরেই চালু হবে

নগর

‘নগর পরিবহনকে গতি দিতে নির্মাণ ও সংস্কার করা হয়েছে শতাধিক যাত্রী ছাউনি ও বাস বে।

পাশাপাশি এই কার্যক্রমে বিদ্যমান জটলা দূর করতে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সাথে নিয়ে অবৈধ ও রুট পারমিটবিহীন বাসের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

এরই মধ্যে রুট পারমিটবিহীন শতাধিক বাস জব্দ করা হয়েছে। বর্তমানে জব্দকৃত সেসব বাস ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মাতুয়াইলে ডাম্পিং করা হচ্ছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন,

‘আন্তঃজেলা বাসের চাপ কমাতেই আমরা ঢাকা থেকে বাস প্রান্ত সরানোর উদ্যোগ নিয়েছি।

তারই অংশ হিসেবে কাঁচপুরে আন্তঃজেলা বাস প্রান্ত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভূমি উন্নয়নের কাজ চলমান রয়েছে।

পাশাপাশি কেরানীগঞ্জের বাঘাইরে নতুন আরেকটি আন্তঃজেলা বাস প্রান্ত প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন,

‘যানজট নিরসন এবং যানবাহন চলাচলের গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বেড়িবাঁধ সড়কের রায়ের বাজার স্লুইচ গেইট থেকে পোস্তগোলা ব্রিজ পর্যন্ত সড়ককে ৮ লেনে প্রশস্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গেল মাসের ১৬ তারিখে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের যাচাই কমিটির বৈঠকে এই প্রকল্পের অনুমোদন হয়েছে।’

আরও পড়ুন :