গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি এবং আরও ১১০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন জানায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক
মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ১১০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ২৬ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ১৭ জন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ১৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৯ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) পাঁচজন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) একজন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) দুইজন রয়েছেন।
২৪ ঘণ্টায় দেশে মোট ৭৬ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন, চলতি বছরে মোট চার হাজার ৩২১ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
চলতি বছরের ১৬ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে চার হাজার ৭৮৮ জন। এর মধ্যে ৬০ দশমিক ৭ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৯ দশমিক ৩ শতাংশ নারী রয়েছেন।
২৪ ঘণ্টায় দেশে মোট ৭৬ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন, চলতি বছরে মোট চার হাজার ৩২১ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
চলতি বছরের ১৬ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে চার হাজার ৭৮৮ জন। এর মধ্যে ৬০ দশমিক ৭ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৯ দশমিক ৩ শতাংশ নারী রয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি, চলতি বছরের এ যাবত ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ৫০ জন।
প্রতিবছর বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ২০২৩ সালের জুন মাস থেকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। গেল বছর দেশে তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। এর মধ্যে ঢাকায় এক লাখ ১০ হাজার আটজন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই লাখ ১১ হাজার ১৭১ জন।
আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন তিন লাখ ১৮ হাজার ৭৪৯ জন। গত বছর এক হাজার ৭০৫ জন মানুষ মশাবাহিত এই রোগে মারা গেছেন। যা দেশের ইতিহাসে এক বছরে সর্বোচ্চ মৃত্যু।
