উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবার এদেশের ক্রীড়াঙ্গনের বাতিঘর। বঙ্গবন্ধুর পিতা শেখ লুৎফর রহমান ছিলেন একজন পরিচিত ফুটবলার। বঙ্গবন্ধু ফুটবল, হকি ও ভলিবল খেলতেন। ফুটবলের প্রতি বঙ্গবন্ধুর অনুরাগের কারণেই স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল গঠিত হয়েছিল।
দেশ স্বাধীনের পর জাতির পিতার হাত ধরে ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন যাত্রা শুরু হয়। জাতির পিতাকে হত্যার পর সে প্রক্রিয়া থেমে যায়। বঙ্গবন্ধুর পর ক্রীড়াঙ্গনে যেসব সাফল্য এসেছে তার কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। তিনি নিয়মিতভাবে ক্রীড়াঙ্গনে পৃষ্ঠপোষকতা, খেলোয়াড়, ক্রীড়াবিদ ও সংগঠকদের উৎসাহিত করার মাধ্যমে ক্রীড়াচর্চাকে আরো সচল করার পাশাপাশি খেলার টেকসই মানোন্নয়নের জন্য অর্থবহ উদ্যোগ নিয়ে বিশেষ অবদান রাখছেন। শুক্রবার বিকালে শরীয়তপুরের সখিপুর ইসলামিয়া স্কুল মাঠে সখিপুর স্পোর্টস এ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত সখিপুর সুপার লীগের গ্রান্ড ফাইনালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্রীড়াপ্রীতি, ক্রীড়াঙ্গন সংশ্লিষ্ট মানুষের প্রতি দুর্বলতা, তাদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের জন্য কিছু করার আকূলতা, এই চত্বরের সান্নিধ্য উপভোগ এ সবই তার ‘জেনেটিক’। দাদা, বাবা ও ভাইয়েরা ছিলেন মনেপ্রাণে ক্রীড়ানুরাগী। মাঠে খেলোয়াড়। মাঠের বাইরে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনকারী সংগঠক। শেখ হাসিনা নিজেও ছোটবেলায় খেলাধুলা করেছেন। জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবার তো একটি খাঁটি ক্রীড়ানুরাগী পরিবার।
উপমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকার ক্রীড়াবান্ধব। যখনই ক্ষমতায় এসেছে দেশের ক্রীড়াচর্চায় গৃহীত উদ্যোগে এই খাত হয়েছে বেগবান। স্বাধীন বাংলাদেশের ৫০ বছরে ক্রীড়াক্ষেত্রে বিভিন্ন খেলায় সামান্য অর্জন, ঘরোয়া ক্রীড়াঙ্গনে নতুন নতুন আধুনিক ক্রীড়াকাঠামো নির্মাণ, সবার খেলার সুযোগ সৃষ্টির জন্য উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের পাশাপাশি বিদেশে বিভিন্ন খেলার আন্তর্জাতিক গেমস টুর্নামেন্ট ও চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণের সবচেয়ে বেশি সুযোগ মিলেছে। খেলোয়াড়দের স্বাবলম্বী এবং তাঁদের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন সার্ভিস দল, সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কয়েক হাজার নারী ও পুরুষ ক্রীড়াবিদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে।

Comments are closed.