নিজেরা বড় কিছু না করলেও পরিশ্রম বৃথা যায়নি তাঁদের। সিটি ক্লাবকে ১০১ রানে হারিয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে মোহামেডান।
শুরুর পাঁচ ম্যাচে জয়শূন্য থাকা মোহামেডান প্রথম জয় পেয়েছিল গত শনিবার শেখ জামালের বিপক্ষে। সেটি ছিল এবারের লিগে সাকিব-মিরাজের প্রথম ম্যাচ।
মাঝে এ দুজন জাতীয় দলের সঙ্গে আয়ারল্যান্ড টেস্টে ব্যস্ত থাকলেও মোহামেডান হারিয়েছিল অগ্রণী ব্যাংককে।
এবার সিটি ক্লাবকেও হারিয়ে পয়েন্ট তালিকার ৬ নম্বরে উঠে এসেছে মোহামেডান। ৮ ম্যাচে মোহামেডানের পয়েন্ট এখন ৭।
বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩৪৮ রান তোলে মোহামেডান।
আগের ম্যাচে চার নম্বরে ব্যাট করলেও সাকিব আজ ব্যাটিংয়ে নামেন সাত নম্বরে, ইনিংসের ৪৪তম ওভারে।
শেষ ওভারের চতুর্থ বলে রায়ান রাফসানের স্পিনে ক্যাচ দেওয়ার আগে তিনি ১৬ বলে ২৬ রান করেছেন। ইনিংসটিতে ছিল ২টি চার ও ১টি ছয়।
মোহামেডানের রান সাড়ে তিন শর কাছাকাছি পৌঁছায় মূলত ইমরুল কায়েসের সেঞ্চুরি আর মাহমুদউল্লাহ ও মাহিদুল ইসলামের ফিফটির সৌজন্যে।
চতুর্থ উইকেটে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে ১২১ আর পঞ্চম উইকেটে মাহিদুলের সঙ্গে ৭৯ রানের জুটি গড়েন ইমরুল।
বড় দুই জুটির পথে ১০৮ বলে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ১২তম সেঞ্চুরি তুলে নেন মোহামেডান অধিনায়ক।
শেষ পর্যন্ত ১২১ বলে ১১৪ রান করে অবসর নেন ইমরুল।
এরপরই ব্যাটিংয়ে নামেন সাকিব। দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭১ রান করেন মাহমুদউল্লাহ।
উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান মাহিদুল খেলেন ৫২ বলে ৬৫ রানের ইনিংস। চারে নামা মিরাজ অবশ্য ৮ বলে ৬ রান করে আউট হয়ে যান।
রান তাড়ায় সিটি ক্লাব জয়ের সম্ভাবনা জাগাতে পারেনি কখনোই। ম্যাচের চতুর্থ ওভারেই সাকিবের বলে এলবিডব্লু হন জয়রাজ শেখ।
এ ছাড়া মিরাজ, নাজমুল অপুদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১২৮ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারায় সিটি।

Comments are closed.