হ্যা, সম্প্রতি এমন ঘটনাই ঘটেছে তাইওয়ানে। সেখানকার একটি মেট্রো স্টেশনে বিড়ালকে সম্মানসূচক ‘স্টেশনমাস্টার’ পদ দেওয়া হয়েছে।
এতে প্রাণী প্রেমীদের মধ্যে বইছে আনন্দের বন্যা। বিড়ালটির নাম ‘মিকান’।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণীটি রীতিমতো ‘তারকা’। ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা ৬০ হাজারের মতো।
তাইওয়ান নিউজ জানিয়েছে, মিকানকে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় কাওসিউং মাস র্যাপিড ট্রানজিটে সম্মানজনক ওই পদ দেওয়া হয়েছে।
এই মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক কাওসিউংয়ের ৩৭টি স্টেশনকে সংযুক্ত করেছে। ৪ এপ্রিল এই রেল যোগাযোগের ১৫ বছর পূর্তি হয়েছে।
মূলত এখানেই মিকানকে ‘স্টেশন মাস্টার’ পদ দেওয়ার বিষয়টি লুকিয়ে আছে।
কারণ, তাইওয়ানে শিশু দিবস পালিত হয় ৪ এপ্রিল। এ উপলক্ষে শিশুদের আনন্দ দিতে জনপ্রিয় বিড়ালটিকে ওই সম্মানসূচক পদ দেওয়া হয়।
মিকান দীর্ঘদিন ধরে কাওসিউং মেট্রোস্টেশন এলাকায় থাকে। এতে করে যাত্রী ও রেল কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার বেশ সখ্য গড়ে উঠেছে।
এর জেরে কয়েক বছর ধরে বিড়ালটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ জনপ্রিয়।
ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে মিকানের নিত্যদিনের কর্মকাণ্ডের ছবি ও ভিডিও দেওয়া হয়।
মিকানের জনপ্রিয়তা শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সীমাবদ্ধ নেই।
সে রীতিমতো মডেল বনে গেছে। কারণ, ব্যাগসহ বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপনে মিকানকে দেখা যাচ্ছে।
স্টেশনমাস্টার হিসেবে মিকানের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।
তাঁরা মিকানকে নিয়ে মজার মজার মন্তব্য করে যাচ্ছেন। একজন মজা করে বলেছেন, ‘আমি আশা করছি তাকে ন্যায্য বেতন দেওয়া হচ্ছে।’
মিকানই প্রথম বিড়াল নয় যাকে এমন রেলস্টেশনে ‘চাকরি’ দেওয়া হলো।
২০২১ সালে যুক্তরাজ্যের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসের স্টরব্রিজ জংশন স্টেশনে ‘চিফ মাউস ক্যাচার’ পদ দেওয়া হয় একটি বিড়ালকে।
এর আগে, জাপানের এক রেলস্টেশনে একটি বিড়ালকে ‘স্টেশনমাস্টার অ্যান্ড অপারেটিং অফিসার’ পদ দেওয়া হয়েছিল।

Comments are closed.