নকলার নারায়নখোলা দক্ষিণ নদীর তীরবর্তী মানুষের দুরাবস্থা। নারায়নখোলা দক্ষিণ বোর্ড স্কুল নামে খ্যাত প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ভেঙ্গে নদী গর্ভে চলে যাওয়ায় শিশুদের পাঠদান করাও কঠিন হয়েগেছে । ২শতাধিক ছেলে মেয়ে পড়ছে বিপদে। বিদ্যালয় না থাকায় লেখা পড়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা । নদী ভাঙ্গার ফলে পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুর বস্তা ফেলেও রক্ষা করতে পাচ্ছে না গ্রামবাসীকে । ভিডিও চিত্র নিয়ে আমাদের প্রতিনিধির ডেস্ক রিপোর্ট ইউসুফ আলী মন্ডলের । নদীর তিরবর্তী এলাকার প্রায় ৩ হাজার মানুষ দিনে দিনে তাদের বসতভিটা হারাচ্ছেন । তিন বছর আগে স্কুলটি বিলীন হলেও এখনো প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ স্কুল প্রতিষ্ঠা করেনি। নারায়নখোলা পশ্চিম , দক্ষিণে মাঝখানে ৬০ শতক জমি শফিক খান নামের জনৈক ব্যক্তি স্কুলের নামে দলিল সম্পাদন করে দেওয়ার পরও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর স্কুল প্রতিষ্টায় কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেননি।

বোর্ড স্কুল নদী গর্ভে চলে যাওয়ার পর সেখানে নতুন ভাবে একটি টিন সেট তৈরি করে দিলেও সেখানে তালা জুলছে বছরের পর বছর। এদিকে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার পার্থ গোপাল বলেন একটি পরিত্যাক্ত জায়গা নিয়ে সেখানে পাঠদান করানো হচ্ছে। শিক্ষক ৪ জন বিদ্যালয়ের ২০ জন ছাত্রের ক্লাস হচ্ছে। এলাকাবাসী জানান তাদের ছেলে মেয়েরা প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়ে ঝড়ে যাচ্ছে । বর্তমান সময়ে স্কুলটি প্রতিষ্ঠার জায়গাটি চার রাস্তার সংযোগ স্থলে শফিক খান জমি লিখে দেওয়ার পরও প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে না । আরেক মলম মাষ্টার এই জায়গায় স্কুলটি করতে নারাজ তারাও জমি দিতে রাজি । সরকারি সিদ্ধান্ত সঠিক ভাবে গ্রহণ না করায় ২শতাধিক ছেলে মেয়ের জীবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে । এলাকাবাসী আরও জানান নদী ভাঙ্গার কবল থেকে রক্ষা না হলে তাদের কোটি কোটি টাকার জমি নদী গর্ভে চলে যাচ্ছে বসত বাড়ি হারাচ্ছে , উৎপাদিত কৃষি পণ্য বাজারে নিয়ে যোগাযোগের অভাবে সঠিক দামেও বিক্রি করতে পাচ্ছেন না । এই স্কুলটিতেই বর্তমানে ৩শতাধিক ছাত্র ছাত্রীর স্থলে ৫০ জন নিয়ে পাঠদান করানো হচ্ছে। বাকীরা জরে যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা জীবন থেকে ।
এনএএন টিভি / ইউসুফ আলী মন্ডল
