গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে এক প্রধান শিক্ষক বয়স জালিয়াতি করে চাকুরি করার অভিযোগের অভিযোগকারী ছাড়াই তদন্ত অনুষ্ঠিত।
জানা যায়, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নে করিয়াটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহরত আরা চৌধুরী বয়স জালিয়াতি করে ২৮ ডিসেম্বর-১৯৯৭ তারিখে উক্ত বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করেন। পরে তিনি ২ জুন-২০১১ তারিখে উক্ত বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। হাঁসবাড়ী বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯৭৯ সালে এসএসসি পাসের সনদ অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ ২৪ জুলাই-১৯৬২।
পরবর্তীতে তিনি ১ জানুয়ারি ১৯৭৯ ভুয়া জন্ম তারিখ ব্যবহার করে বাহাদুরপুর ডি.আই.ইউ বালিকা দাখিল মাদ্রাসা হতে দাখিল পাশ করে উক্ত সার্টিফিকেট ব্যবহার করে দীর্ঘদিন থেকে চাকুরি করে আসছেন।
এরই একপর্যায়ে বয়স জালিয়াতি করে চাকরিতে যোগদান করায় বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় এক সচেতন ব্যক্তি ১ জুন-২০২২ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে ১২ ডিসেম্বর-২০২২ সকাল ১১টায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাজমা খাতুন অভিযোগকারীকে তদন্তের বিষয়টি অবহিত না করে প্রধান শিক্ষককে ডেকে এনে তার অফিস কার্যালয়ে তদন্ত সম্পন্ন করেন।
এব্যাপারে স্থানীয় সাংবাদিকরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট তদন্তের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি প্রধান শিক্ষকের নিকট থেকে লিখিত প্রতিবেদন জমা নিয়েছি। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে আমি প্রতিবেদন জমা দিব।
তবে অভিযোগকারীকে অবহিত করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি মোবাইল ফোনে অভিযোগকারীকে অবহিত করেছি।
কিন্তু অভিযোগকারী জানান, তদন্তের বিষয়ে আমাকে কোন চিঠি-পত্র প্রদান করা হয়নি।
