নির্যাতনে অতিষ্ঠ স্বামী, স্ত্রীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ

কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার হাটির ঘোষপাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত আমির হোসেন মোল্লার পুত্র ইউনুছ আলী মোল্লা তার স্ত্রীর নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে স্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনে উলিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে বিচার প্রার্থী হয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার হাটির ঘোষপাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত আমির হোসেন মোল্লার পুত্র ইউনুছ আলী মোল্লা ২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর উলিপুর উপজেলার উলিপুর মধ্য পাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত আনোয়ার হোসেন এর কন্যা মোছাঃ নিপা বেগম (৩৮) এর সহিত মুসলিম শরিয়ত অনুযায়ী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ইউনুছ আলী মোল্লার সাথে মোছাঃ নিপা বেগম ঘর সংসার করা অবস্থায় দুটি কন্যা ও একটি পুত্র সন্তান জন্ম লাভ করে। সন্তানরা হচ্ছেন- ইশরাত জাহান ইমু (১৭), মরিয়ম আক্তার নওশীন (১২) ও মোঃ আব্দুল্লাহ (১০)। ইউনুছ আলী মোল্লার স্ত্রীর মোছাঃ নিপা বেগম তার স্বামীর সাথে ঘর সংসার করা অবস্থায় কারণে অকারণে স্বামীর সাথে দুর্ব্যবহার, অশ্লীল আচরণ সহ সব সময় টাকার জন্য চাপ দিয়ে আসে। কোন কারণে মোছাঃ নিপা বেগম তার চাহিদা মতো টাকা-পয়সা হাতে না পেলেই স্বামীর সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়।

বিবাহের পর থেকে ইউনুছ আলী মোল্লাহ তার স্ত্রীকে নিয়ে নিজ স্থায়ী বাড়িতে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারে না। বরং কুড়িগ্রামের ভাড়া বাড়িতে স্ত্রী ও পরিবারকে নিয়ে বসবাস করতে হয়েছে। ইউনুছ আলী মোল্লার শ্বাশুরী মোছাঃ ছালেহা বেগম (৬৫) বিভিন্ন সময় তার মেয়েকে কুপরামর্শ দিয়ে আসছে। শ্বাশুরীর কোন আয় রোজগারের পথ না থাকায় পরিবার পরিচালনার জন্য মেয়ের স্বামীর উপার্জনে সংসার চালাবার পায়তারা চালায়। ইউনুছ আলী মোল্লা পেশায় একজন পরিবহন ব্যবসায়ী। দীর্ঘ ২৫ বছর যাবৎ সুনামের সাথে তিনি পরিবহন ব্যবসায় যুক্ত থাকলেও তার স্ত্রী, শ্বাশুরী ও অন্যান্য বিবাদীদের জ্বালাতনে দিনের পর দিন ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ২০০১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ইউনুছ আলী মোল্লার অনুপস্থিতিতে তার নাবালিকা কন্যা ইমু (১৫) বছর বয়স হওয়ার পূর্বে তাহাকে শ্বাশুরী, স্ত্রী ও জ্যেষ্ঠানী মিলে একটি বিবাহিত ছেলের সাথে বিবাহ দেয়। বিভিন্ন ঘটনায় ইউনুছ আলী কোর্টে লিগ্যাল এইডে বিচার প্রার্থী হন।

পরবর্তীতে আবারো ২০২২ সালে ভাড়া বাড়িতে তিনি তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঘর সংসার করতে থাকেন। আবারো ষড়যন্ত্রের শিকার হন। ইউনুছ আলী মোল্লা। কাউকে না জানিয়ে ইউনুছ আলী মোল্লার স্ত্রী গার্মেন্টস্ এ চাকুরী করার জন্য যায়। ইউনুছ আলী মোল্লার শ্বাশুরী ও তার পরিবারের লোকজন তার সন্তানদের জিম্মি করে রেখেছেন। বাধ্য হয়ে ইউনুছ আলী মোল্লা নিজে বাদী হয়ে ১) মোছাঃ সোমা বেগম (৪৫), ২) মোছাঃ নিপা বেগম (৩৮), ৩) মোঃ সুমন (৪৩), ৪) মোছাঃ ছালেহা বেগম (৬৫) কে বিবাদী করে উলিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

এনএএন টিভি / মোঃ রফিকুল ইসলাম

Share this news as a Photo Card