মুক্তাগাছায় হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম,বৃদ্ধা মাকে নিয়ে বাড়ী ছাড়া জালাল উদ্দিন

মুক্তাগাছায় জমির সীমানা নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে জমি অবৈধ দখল করে বৃদ্ধা মাসহ ছেলেকে বাড়ী ছাড়া

এবং অনরবত মৃত্যুর হুমকী প্রদর্শন এবং প্রভাব খাটিয়ে থানা পুলিশসহ সিআইডি রিপোর্টকে প্রভাবিত করার চেষ্টা।

বিগত ২০/০৪/২০২১ ইং তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২.৩০ মিনিটের সময় ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা ানার কাঠালিয়া রাজাবাড়ি এলাকায় পূর্ব শক্রুতার জের ধরে একই এলাকার

জালালউদ্দিনের প্রতিবেশী মোঃ সুরুজ আলী,পিতা-মৃত ময়েজ উদ্দিন, সুমন মিয়া পিতা- মোঃ মোস্তফা,সিদ্দিকুর রহমান পিতা- সুরুজ আলী, রাকিবুল হক পিতা-সিদ্দিকুর রহমান,

আম্বিয়া খাতুন,স্বামী- মোঃ মোস্তফা, এলাকার মৃত আলতাব আলী পুত্র মোঃ জালাল উদ্দিন এর পৈত্রিক বসত ভিটা অবৈধ দখলের উদ্দেশ্যে বাড়ীর সীমানায় বেড়া দেয়াকে কেন্দ্র করে

জালাল উদ্দিনের গালিগালাজ করে উপরোল্লিখিত এলাকার ভূমি দস্যু, নানা অপকর্মের হোতা এই সংঘবদ্ধ দলটি।

এক পর্যায়ে জালালউদ্দিনের সাথে কথা কাটাকাটি চলাবস্থায় মোঃ সুরুজ আলীর নিদের্শে সুমন,সিদ্দিকুর রহমান ও রাকিবুল হক দেমীয় অস্ত্র রামদা,লোহার রড জালাল উদ্দিনের উপর চড়াও হয়।

সুমনের হাতে রামদা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে জালাল উদ্দিনের মাথায় পিছন থেকে স্বজোরে কোপ দিলে মাথায় মারাত্মভাবে গুরুতর রক্তক্ত জখম হয়

এবং জালাল উদ্দিন মাটিতে লুটিয়ে পরে এবং আম্বিয়া খাতুন জালাল উদ্দিনকে শাস্বরুদ্ধ করে মেরে ফেলার চেষ্টা চালায় ডাক চিৎকারে লোকজন ছুটে আসে।

তারা তৎক্ষনাত জালালউদ্দিনের বসত ভিটায় ঘরে ডুকে জালালউদ্দিনের বৃদ্ধা মাতার ভিক্ষা করে জমানো ৩৫,০০০/- (পঁয়ত্রিশ হাজার) টাকা ছিনিয়ে নেয় সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দলটি।

পরে মুক্তাগাছায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে

এবং সেখানেও জরুরী বিভাগের ডাক্তার জলালউদ্দিনের অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

পরবর্তীতে ২৯ মে ২০২১ ইং তারিখে এজাহারের ভিত্তিতে মুক্তাগাছা থানায় মামলা উপরোক্ত ব্যক্তিদের আসামী করে মামলা দায়ের করা হয় এবং বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আমলী আদালত ময়মনসিংহ এ সি আর মামলা নং-৩৬৯/২০২১ দায়ের করা হয়।

বিজ্ঞ আদালতে আদেশক্রমে পুলিশ ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে রিপোর্ট দেয় সে ক্ষেত্রে বাদী জালাল উদ্দিন কোর্টে নারাজী দিলে থাকায় বিজ্ঞ আদালত মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর করে ।

বিগত ৩০/০৪/২৩ তারিখে সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য মধ্যে সুমন মিয়া পিতা- মোঃ মোস্তফা ও সিদ্দিকুর রহমান পিতা- সুরুজ আলী কে উক্ত ঘটনায় যুক্ত থাকার দায়ে অভিযুক্ত করে সিআইডি রিপোর্ট বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করে।

বর্তমানে উপরোক্ত সুমন মিয়া পিতা- মোঃ মোস্তফা পলাতক থেকে সন্ত্রাসী বাহিনীর যোগ সাজসে ঘটনায় উল্লিখিত বসত ভিটা অবৈধ দখল করে নিয়েছে

উপরোক্ত সন্ত্রাসী ব্যাক্তিরা এবং জালালউদ্দিন ও তার মাকে হত্যার হুমকী দিলে তারা বসত ভিটা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়ে আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

পৈশাচিক সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান এবং বসত ভিটা ফিরিয়ে দিয়ে এলাকায় থেকে শান্তিতে ভোগ দখলের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য,

মুক্তাগাছায় জেলা প্রশাসন,পুলিশ প্রশাসনের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী জালাল উদ্দিনসহ এলাকাবাসী।