মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যা, নির্যাতন ও দেশ থেকে বিতাড়নের ছয় বছর পূর্ণ হলো আজ শুক্রবার।
প্রতিবছর এই দিনটিকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থান করা রোহিঙ্গারা।
বৃষ্টি উপেক্ষা করে গণহত্যা দিবস পালন করেছে রোহিঙ্গারা।
গণহত্যা দিবসের অংশ হিসেবে শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে উখিয়া কুতুপালং লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের খোলা মাঠে সমাবেশ করা হয়।
এতে অর্ধলাখ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশু উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবছরের মতো এবারও সমাবেশ করে গণহত্যার বিচার ও স্বদেশে ফেরার আকুতি জানিয়েছেন রোহিঙ্গারা।
এ সময় রোহিঙ্গারা বলেছেন, দিনটি আমাদের জন্য একটি কালো দিন।
মিয়ানমার বাহিনী ২০১৭ সালের এই দিনে রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর ওপর জুলুম-নির্যাতন চালিয়েছে।
সেদিন তারা অনেক মা-বোনের সম্ভ্রমহানি করেছিল।
অসংখ্য মানুষকে ঘরবাড়ি ছাড়া করে। আমরা এক কঠিন অবস্থায় বাংলাদেশে পালিয়ে রক্ষা পেয়েছি।
আমরা যুগ যুগ ধরে এখানে অবস্থান করে বাংলাদেশের বোঝা হতে চাই না।
আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে দাবি জানাই, যেন রোহিঙ্গাদের দ্রুত মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সমাবেশ শেষে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।
মোনাজাতে অংশ নেয়া রোহিঙ্গারা তাদের উপর হওয়া নির্যাতনের বিচার চেয়ে এবং
নিজ দেশে মর্যাদার সঙ্গে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন।
একইসঙ্গে তাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি ধন্যবাদ জানান তারা।
সমাবেশে রোহিঙ্গা নেতারা অভিযোগ করেন, প্রত্যাবাসন থমকে গেছে।
কারণ মিয়ানমার তাদের ফেরত নিতে চায় না।
মিয়ানমারের উপর চাপ প্রয়োগ করতে হবে জোরালোভাবে।
আরও পড়ুন :
