কোরবানি সামনে রেখে মিরকাদিমের খামারিরা পার করছেন ব্যস্ত সময়।পুরান ঢাকার ক্রেতাদের পছন্দের শীর্ষে থাকায় খামারগুলোতে বিশেষ যত্নে পালন করা হচ্ছে ধবল গাই।
কোরবানিতে পুরান ঢাকার ক্রেতাদের পছন্দের শীর্ষে থাকে ধবল গাই।
ঐতিহ্য ধরে রাখতে মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমের খামারগুলোতে বিশেষভাবে লালনপালন করা হচ্ছে ধবল গাই।
কোরবানির সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে গাইগুলোর পরিচর্যা।
খামারিরা জানান, মিরকাদিমের গাইগরুর চোখের পাপড়ি, শিং, পায়ের খুর, লেজের পশমসহ প্রায় সারা শরীরই সাদা।
গাইগুলোকে খইল, বুট, খেসারি, গম ও মসুর ডালের ভুসি, রাব-গুড় খেতে দেয়া হয়। সঙ্গে ভুট্টা চূর্ণ করে দেয়া হয়।
কোনো ঘাস খাওয়ানো হয় না। তাই মাংসে আঁশ কম থাকে। মাংস নরম ও তেলতেলে হয়।
এ ছাড়া এ গাই পালনে খরচ বেশি হয় বলেও জানান খামারিরা। তারা বলেন, মিরকাদিমের গাইয়ের বিশেষ চাহিদা রয়েছে।
তাই নিয়মিত সেবাযত্ন করে লালনপালন করা হয় গাইগুলোকে।
তবে গাইগুলো বাচ্চা দেয়ার আগেই কোরবানি দেয়ায় বংশবিস্তার ব্যাহত হচ্ছে।
এতে মিরকাদিমের গরুর জাতটির বিলুপ্তি ঠেকাতে জাতীয়ভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানান মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কুমুদমুদ রঞ্জন মিত্র।
তিনি বলেন, এই গরু মিরকাদিমের স্থানীয় একটি বিশেষ জাত। জাতটির বিলুপ্তি ঠেকাতে ও বংশ বৃদ্ধি করতে জাতীয়ভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
পাশাপাশি বাচ্চা দেয়ার আগে গরুগুলোকে কোরবানির জন্য বিক্রি না করতে খামারিদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
এবার মিরকাদিমের খামারগুলোতে একটি ধবল গাইয়ের দাম হাঁকা হচ্ছে দেড় লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত।
আরও পড়ুন :
