ঈদকে সামনে রেখে খামারিরা শঙ্কায়

যশোরের খামারিরা কোরবানির ঈদ সামনে রেখে পশু পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

গতবারের মতো এ বছরও জেলায় চাহিদার তুলনায় বেশি পশু পালন করা হয়েছে।

তবে মূল্যস্ফীতির কারণে পশু হৃষ্টপুষ্ট করতে খরচ দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। এ অবস্থায় সঠিক দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কিত খামারিরা।

আর কয়েকদিন বাদেই কোরবানির ঈদ। তাই শেষ মুহূর্তে পশুর পরিচর্যায় যশোরের খামারিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর মধ্যে যশোর গরু হৃষ্টপুষ্টকরণে বেশ এগিয়ে।

বিশেষ করে ভারত থেকে গরু আসা বন্ধ হওয়ায় এ জেলায় গরু পালন বেড়েছে।

এ বছর জেলার ৮টি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে প্রায় ৯ হাজার ছোট-বড় খামারে দেশি পদ্ধতিতে হাজার হাজার গরু-ছাগল পালন করা হচ্ছে।

কাজেই ঈদের বাজারে ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন খামারিরা। এক খামারি বলেন, বর্তমানে আমাদের খামারে ২৮টি গরু আছে। আশা করছি, কোরবানির সময়ে ভালো দাম পাবো।

তবে খামারিদের দাবি, এ বছর গরু পালনে খরচ বেড়েছে। গরু পালনের খরচ উঠানো নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে এক খামারি বলেন, এবার খরচ শুধু বেশি নয়, অনেক বেশি হয়েছে।

যা আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। যে গরুগুলো তিন লাখ টাকায় বিক্রি করার আশা করছি আমরা।

সেগুলোর পেছনে ইতোমধ্যে আমাদের ২ লাখ ৮০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়ে গেছে।

আরেকজন খামারি বলেন, গরুর পেছনে যা খরচ বেড়েছে, গরু বিক্রি করে তা উঠবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

অবশ্য প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলছে, কোরবানির পশুর বাড়তি চাহিদা এবং

যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির কারণে অন্যান্য জেলাতে পশু পাঠানোর সুযোগ থাকায় লোকসান হওয়ার আশঙ্কা নেই।

এবিষয়ে যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রাশেদুল হক বলেন, এখন দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা বেশ উন্নত।

পদ্মা সেতু দিয়ে হোক বা অন্য কোনোভাবে হোক খামারিরা বেশ সহজেই তাদের গরু দেশের অন্যত্র নিয়ে যেতে পারবেন। তাছাড়া আমি প্রত্যাশা করছি যে খামারিরা ন্যায্যমূল্য পাবেন।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় এ বছর কোরবানির জন্য পশুর চাহিদা রয়েছে ৮৬ হাজার। যার বিপরীতে পরিচর্যা করা হচ্ছে ৯৬ হাজার পশু।

আরও পড়ুন :

এনএএন টিভি

Share this news as a Photo Card