সময়টা বেশ ভালো যাচ্ছে না নভোযান কোম্পানি স্পেসএক্স, বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা টেসলা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারের।
গত সপ্তাহে এ কোম্পানি তিনটির সম্পদের মূল্য ব্যাপক হারে কমায় কোম্পানিগুলোর মালিক ইলন মাস্ক ১ হাজার ২৬০ কোটি মার্কিন ডলার খুইয়েছেন।
ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার ইনডেক্সের অনুসারে, চলতি বছর এটিই ইলন মাস্কের সম্পদের সবচেয়ে বড় পতন।
তার সম্পদ কমে যাওয়ার একটি বড় কারণ হচ্ছে টেসলা।
সিএনবিসি জানিয়েছে, সকালে প্রকাশিত প্রতিষ্ঠানটির বছরের প্রথম প্রান্তিকের প্রতিবেদনে দেখা গেছে,
প্রথম প্রান্তিকে ২ দশমিক ৫১ বিলিন ডলার মুনাফা করেছে বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি, যা আগের বছরের তুলনায় ২৪ শতাংশ কম।
মূলত গাড়ির দাম কমা ও কাঁচামালসহ অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ায় কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে।
যদিও সাম্প্রতিক মাসগুলোয় গাড়ির দামে বড় ছাড় দেয়ায় টেলসার বিক্রি বেড়েছে।
এদিনের লেনদেনে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার দর ৯ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ১৬২ দশমিক ৯৯ শতাংশে নেমেছে।
প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে বড় শেয়ারহোল্ডার হচ্ছেন ইলম মাস্ক। সুতরাং, টেসলার শেয়ারদর পতনের বড় একটি প্রভাব পড়েছে মাস্কের সম্পদে।
যার ভিত্তিতে ১২ দশমিক ৬ বিলিয়ন বা ১ হাজার ২৬০ কোটি মার্কিন ডলার খুইয়েছেন।
এদিকে একই দিনে এ ধনকুবেরের নভোযান কোম্পানি স্পেসএক্সের স্টারশিপ রকেটটি পরীক্ষামূলকভাবে উড্ডয়নের মাত্র ৩ মিনিটের মাথায় বিস্ফোরিত হয়ে যায়।
প্রতিষ্ঠানটিতে মাস্কের ৪২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
অপরদিকে টুইটার কিনে নেয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনায় বেশ কয়েকটি পরিবর্তন এনেছেন ইলন মাস্ক।
যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সাবস্ক্রিবশন ফি। যার ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার থেকেই ব্লু টিক সরিয়ে নেয়া শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
তবে এসবের পরও এখন বিশ্বের দ্বিতীয় সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হচ্ছেন ইলন মাস্ক।
এ প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত ব্লুমবার্গের বিলিয়নিয়র ইনডেক্স অনুসারে, তার সম্পদের পরিমাণ ১৬৫ বিলিয়ন ডলার।
এর আগে তিনিই এ সূচকের প্রথম স্থানে ছিলেন।
গত বছরের শেষের দিকে তাকে হটিয়ে শীর্ষস্থান দখল করেন ফ্রান্সের বিলাসী পণ্যের ব্র্যান্ড এলভিএমএইচের চেয়ারম্যান
ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বার্নার্ড আর্নল্ট। বর্তমানে তার সম্পদের পরিমাণ ২১২ বিলিয়ন ডলার।
আরও পড়ুন:
