ভারতের ওড়িশা রাজ্যের ঝাড়সুগুদা জেলা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা সন্দেহে ৪৪৪ জন আটক করেছে রাজ্য পুলিশ।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ২৬৫ জনকে অস্থায়ীভাবে নির্মিত সুরভী কল্যাণ মন্দিরে রাখা হয়েছে। অন্য ব্যক্তিদের রাখা হয়েছে ডায়মন্ড কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি কলেজ প্রাঙ্গণে একটি হোল্ডিং সেন্টারে।
সোমবার রাত থেকে শুরু হওয়া এক বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। বর্তমানে তাদের পরিচয় সনাক্ত ও যাচাই-বাইায়ের জন্য বিশেষ আটককেন্দ্রে রাখা হয়েছে। খবর এনডিটি ও ওডিশা বাইটসের।
এ বিষয়ে রাজ্যটির উত্তরাঞ্চলের পুলিশ মহাপরিদর্শক হিমাংশু কুমার লাল সাংবাদিকদের জানান, আটক করা ৪৪৪ জনের নথিপত্র যাচাই করা হচ্ছে এবং এরপর তাদের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের অনেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনমজুর, রাজমিস্ত্রি বা ফেরিওয়ালার কাজ করতেন। জিজ্ঞাসাবাদ ও নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে যাদের ভারতে থাকার বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যাবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দেশে ফেরত পাঠানো হবে।
এনডিটি জানায়, ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এ অভিযান শুরু হয়। এটির উদ্দেশ্য ছিল এমন বিদেশিদের শনাক্ত করা, যারা বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ভারতে প্রবেশ করেছে। ঝাড়সুগুদা জেলায় বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী অবৈধভাবে বসবাস করছেন—এমন অভিযোগের পরই অভিযান চালানো হয়।

One Reply to “ভারতে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা সন্দেহে ৪৪৪ জন কে আটক করেছে পুলিশ”
Comments are closed.